লন্ডনে শনিবার “Unite the Kingdom” নামে এক অভিবাসনবিরোধী র্যালি হয়, যেখানে প্রায় ১১০,০০০ জন মানুষ অংশ নেন এবং এই র্যালিটি ইংল্যান্ডের নতুন সময়ের একটি বড় রাজনৈতিক দিবস হয়ে দাঁড়ায়। এই র্যালি আয়োজন করেছিলেন রাইট-উইং কর্মী টমি রবিনসন, যারা অভিবাসন নীতি কঠোর করার ও “বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ আসছে বেশি” এমন অভিযোগ তুলে ধরছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা ইংল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের পতাকা, কিছু আমেরিকান ও ইসরায়েলের পতাকা ধরেছিলেন, এবং কিছু MAGA টুপি পরেছিলেন; শ্লোগান উচ্চারণ করছিলেন “send them home” এবং প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের নীতি সমালোচনা করছিলেন।

14 September 2025 | Pic: Collected
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় যখন কিছু বিক্ষোভকারী অনুমোদিত রুট থেকে সরে যেতে চায়, পুলিশ বাধা দিতে গেলে তারা কাঁটা-বাঁশ, বোতল ও ফ্লেইয়ার ছোড়ে।) পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ২৬ জন পুলিশ অফিসার আহত হয়েছেন, চার জন গুরুতরভাবে; এবং কমপক্ষে ২৫ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। Counter-protest “Stand Up to Racism” নামে প্রায় ৫,০০০ জন লোক অংশ নিয়েছিলেন, যারা অভিবাসন-নিয়ন্ত্রণের নীতির কঠোরতার বিপক্ষে কথা বলেছিলেন।
র্যালি হয় এমন সময় যখন যুক্তরাজ্যে অভিবাসন, আশ্রয় চাওয়া ও শরণার্থী বাড়ছে এবং মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে যে স্থানীয় জনগণের সুযোগ ও সেবা কমে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমার বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ করার অধিকার স্বীকার করেছেন, তবে বলছেন যে “পবিত্র পতাকা” ভয়ের বা বিভাজনের কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়।
এই র্যালি পরে বিবাদ ও সামাজিক আলোচনা সৃষ্টি করেছে — বিশেষ করে যখন কিছু অংশগ্রহণকারী বলেন যে অভিবাসনকারীদের অধিকার বেশি হয়ে গেছে, এবং কিছু বলেন যে “সংস্কৃতি” ও “জাতীয় সত্তা” হুমকির মুখে রয়েছে। পুলিশ বলেছে তারা এখন আরও তদন্ত করবে এবং যারা আইন লঙ্ঘন করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই র্যালি শুধু একটি বিক্ষোভ নয়, এটি দেখাচ্ছে যে যুক্তরাজ্যে অভিবাসন একটি সবচেয়ে আলোচিত এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয় হয়ে উঠেছে।




