ইরান প্রায়শই আন্তর্জাতিক চাপ ও সম্মিলিত সমঝোতার সমীকরণে অবস্থান বদলে নিয়েছে — এবং এবারের অভিযান সেটাই প্রমাণ করে। জুন ২০২৫-এ ইরানের পার্লামেন্ট একটি বিল অনুমোদন করে যে, ইরান জাতিসংঘের পারমাণবিক তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা (IAEA)-র সঙ্গে তার সহযোগিতা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখবে।বিলটি আইনরূপ পেতে হলে শ্রেষ্ঠ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মঞ্জুরি দরকার হবে। তারা বলেছে, IAEA নিরাপত্তা ও নিরপত্তাহীনতার আশ্বাস দিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এর ফলে ইরানকে তার পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোর জন্য গ্যারান্টি পেতে হচ্ছে। এই বিল অনুযায়ী, তল্লাশি, সার্ভিলেন্স ক্যামেরা ইনস্টলেশন ও রিপোর্ট দাখিল বন্ধ রাখা হবে যতক্ষণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে না।

13 Oct 2025 | Pic: Collected
এর আগে, ইরান প্রেসিডেন্ট মহম্মদ পেজেশকিয়ান একটি আদেশ জারি করেন, যে মার্কিন ও ইস্রায়েলি বিমানহানার পর IAEA-র সঙ্গে সকল সহযোগিতা বন্ধ করবেন। এই সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে IAEA–র inspectors-এর কার্যক্রম রোধ করা এবং তাদের কাছে পারমাণবিক স্থাপনায় প্রবেশ বন্ধ রাখা।
তবে এ যেন একদমই নিরবে শান্তি অবস্থা নয়। সেপ্টেম্বর মাসে ইরান ও IAEA একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছেছে, যার আওতায় তহসিল ও তল্লাশি পুনরায় শুরু হবে, বিশেষ করে ত那些 স্থাপনাগুলো যেখানে ক্ষতি হয়েছিলো। এই চুক্তিতে বিস্তারিত নির্ধারণ করা বাকি থাকলেও, এটি একটি সম্ভাব্য শান্তিগত মোড় নির্দেশ করে।
IAEA–র পরিদর্শকগণ আগস্ট মাসে ইরানে ফিরে আসেন, যদিও পুরোপুরি চুক্তির কাজ শুরু হয়নি।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, তারা পারমাণবিক কর্মসূচির শান্তিপূর্ণ অংশগুলোর জন্য বিশ্বাসগঠন মাপকাঠি তৈরি করতে প্রস্তুত, যদি পশ্চিমা দেশগুলি কিছু শর্ত শিথিল করে।
এদিকে, পার্লামেন্ট কমিটি জুনে পারমাণবিক বিষয়ক তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা বন্ধ রাখার সাধারণ খসড়া পরিকল্পনা অনুমোদন করে। একই সঙ্গে, ইরানের পার্লামেন্ট একটি প্রকৃতি প্রস্তাবও প্রস্তুত করছে যাতে ইরান পারমাণবিক অবরোধ বিরোধী চুক্তি (NPT) থেকে itself নিজেকে সরিয়ে নিতে পারে।
এই সাময়িক স্থগিতাদেশ ও প্রতিক্রিয়া বিশ্ব রাজনীতিকে থমকে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই জাতিসংঘ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। তুরস্ক, রাশিয়া ও অন্যান্য রাষ্ট্র ইরানের স্বার্থ ও নিরাপত্তার দিকেও নজর দিচ্ছে।
এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বিশ্লেষণ করছেন — এটিই কি ইরানের নতুন কৌশল, নাকি একটি ভঙ্গুর মুহূর্তে মন্তব্যমূলক পদক্ষেপ? আগামী দিনগুলোর সিদ্ধান্তই পারমাণবিক শান্তি প্রক্রিয়ার দিক নির্ধারণ করবে।




