মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ইস্তানবুল, তুরস্কে পৌঁছেছেন। তিনি তুরস্ক এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ইসরায়েল থেকে রওয়ানা হন এবং বিকেলে ইস্তানবুলে অবতরণ করেন। বাংলাদেশ কনসুল জেনারেল (ইস্তানবুল) মোঃ মিজানুর রহমান তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অফিস এক বিবৃতিতে জানায় যে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফ্লোটিলা অভিযান চলাকালীন তার আটক ও মুক্তির প্রক্রিয়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগ চালানো হয়েছে। তারা তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তার অবদান ও মুক্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য।

10 Oct 2025 | Pic: Collected
শহিদুল আলম তার মুক্তির পর একটি ছবি ও ভিডিও ছেড়েছেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশ পতাকা হাতে ধরে তুরস্কে অবস্থানরত অবস্থায় দৃশ্যমান। তার এই যাত্রাটি আসে এমন এক ঘটনার পর, যেখানে ইসরায়েলি নৌবাহিনী গাজায় ত্রাণ বহনকারী একটি ফ্লোটিলা জাহাজ কোণশিয়েন্স (Conscience) আটক করে এবং শীর্ষকর্মী ও সাংবাদিকসহ অনেককে গ্রেপ্তার করে।
বাংলাদেশ সরকার কঠোর শব্দে এই আটককে নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশের দূতাবাস ও উপদেষ্টা অফিসগুলোকে কূটনৈতিক সমন্বয় বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছিল। মুক্তির পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস ও তার দপ্তর শহিদুলের মুক্তির ব্যাপারে তুরস্ক ও অন্যান্য দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
এই মুক্তি শুধু শহিদুলের জন্য নয় — এর অর্থ হলো, আন্তর্জাতিক চাপ ও কূটনৈতিক সহায়তা কতটা প্রভাব ফেলে, সেটির প্রতিফলন। তবে এখন প্রশ্ন হলো, শহিদুল কি সময়ে দেশে ফিরবেন, এবং তিনি কীভাবে তাঁর কাজ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কাজ পুনরায় চালু করবেন, সে দিকেই এখন সকলের নজর নিবদ্ধ।




