গুজরাটের কচ্ছ জেলার আনজার থানার সহায়িকা উপ-निरीक्षक (এএসআই) অরুণাবেন নাটুভাই যাদব (২৫) তার সিআরপিএফ কর্মীর সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক বজায় রেখে বসবাস করছিলেন। শুক্রবার গভীর রাতে তাদের বাড়িতে তীব্র মনোমালিন্য হওয়ার পর, গৃহযুদ্ধের জেরে কনস্টেবল দিলীপ দাংচিয়া (ক্রিপ্টিক গ্রেফতার) তাকে গলায় জোরে আঁটিয়ে হত্যা করেন ।

20 July 2025 | Pic: Collected
পুলিশ জানায়, ঝাপসা কথাবার্তায় অরুণাবেন তার মায়ের সম্পর্কে অসম্মানজনক মন্তব্য করলে দিলীপ রাগে তাকে গলা চাপা দেন। হত্যাকাণ্ডের পরে বিবেকবোধে ভরা দিলীপ নিজেই শ্বাস আটকে হত্যার স্থানেই আত্মসমর্পণ করতে থানায় যান, যেখানে সে স্বীকারোক্তি দেন এবং কিছুক্ষণ পরে আরাম পেতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর মানসিক স্বাস্থ্য ও ঘরোয়া অত্যাচারের ঘটনা একসঙ্গে পুনরায় আলোচনায় এসেছে। প্রাথমিকভাবে ময়নাতদন্ত ও ঘটনার প্রেক্ষাপটে সঠিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং থানার বাজায় মিটমাটের চেয়ে ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয়েছে।
এই ঘটনায় উঠে এসেছে সিআরপিএফ বা অনুরূপ বাহিনীর কর্মচারীদের ব্যক্তিগত জীবনে মানসিক চাপ ও সহনশীলতা বিষয়ক গুরুতর প্রশ্ন, যা নিয়ন্ত্রনমূলক সতর্কতার দাবিও তোল দিয়েছে। আনজার থানায় আত্মসমর্পণের নেপথ্যে যে মানসিক সংকট কাজ করেছে, তা সমাজের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই বদলানো ও কঠোর জটিলতা সহকারে তদন্ত শুরু করেছে, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ট্র্যাজেডি প্রতিরোধ করা যায়।




