যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস ও কাজের অনুমতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কার্ড বা গ্রিন কার্ড অনেকের কাছেই ‘সোনার হরিণ’ হিসেবে বিবেচিত। সাধারণত এই কার্ড পেতে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই গ্রিন কার্ড পাওয়ার নজির রয়েছে।

13 July 2025 | Pic: Collected
টিবিএন অ্যানালাইসিসে আইনজীবী মঈন চৌধুরী জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিক যদি বিদেশ থেকে বৈধ ভিসায় তার বৈধ স্ত্রী বা স্বামীকে নিয়ে আসেন এবং তাদের বিয়ে বৈধ ও নথিপত্র সঠিক থাকে, তাহলে সাক্ষাৎকার শেষে সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যেই গ্রিন কার্ড হাতে পেয়ে যেতে পারেন। অতীতে এই প্রক্রিয়ায় ১.৫ থেকে ২ বছর পর্যন্ত সময় লাগত, তবে বর্তমানে USCIS-এর কিছু দ্রুততর নীতির ফলে এটি অনেকটাই সংক্ষিপ্ত হয়েছে।
আবেদনকারীর অবস্থা যদি এমন হয় যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং তার আবেদন একসঙ্গে I-130 ও I-485 ফর্ম দিয়ে করা হয়েছে, তাহলে বাইোমেট্রিকস, ইন্টারভিউ ও যাচাই শেষে ৯ মাস বা তারও কম সময়ে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে তিন মাসের মধ্যে অনুমোদন পাওয়ার জন্য আবেদনপত্রে কোনো ধরনের ভুল, জালিয়াতি বা সন্দেহজনক তথ্য থাকা চলবে না, যেমন বিয়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন, টাকার বিনিময়ে বিয়ে, কিংবা বয়সের অসামঞ্জস্য।
দুই বছরের জন্য দেওয়া হয় অস্থায়ী গ্রিন কার্ড, যা পরে স্থায়ী করার আবেদন করা যায়। এ সময় বিবাহিত সম্পর্কের বাস্তবতা যাচাই করা হয় আরও কঠোরভাবে। অতএব, যারা স্বপ্ন দেখেন দ্রুত গ্রিন কার্ড পাওয়ার, তাদের উচিত প্রথম থেকেই সমস্ত নথিপত্র প্রস্তুত রাখা, বৈধ ও স্বচ্ছ সম্পর্ক প্রমাণ করা, এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া। সঠিক পথ অনুসরণ করলে তিন মাসেই নাগরিকত্বের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে।




