ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ভারত স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই এমন প্রতিবেশীর মুখোমুখি, যারা বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের মূল কেন্দ্র।” জয়শঙ্কর আরও বলেন, “যখন কোনো দেশ সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করে, যখন সন্ত্রাসবাদের হাব বিস্তৃতভাবে কাজ করে, তখন এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে দ্ব্যর্থহীনভাবে নিন্দা জানাতে হবে।
29 September 2025 | Pic: Collected
তিনি বলেন, “পাকিস্তান প্রকাশ্যে সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ঘোষণা করেছে।” জয়শঙ্কর পহেলগাঁও হামলার উদাহরণ দিয়ে বলেন, “এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে নিরীহ পর্যটকদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, যা পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসীদের কাজ।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তানে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা সন্ত্রাসীরা দিনের আলোয় শহরে ঘোরে, তাদের ঠিকানা সবাই জানে।” জয়শঙ্কর বলেন, “যারা সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে, তারা একদিন সন্ত্রাসবাদের শিকার হবে।” তিনি সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন বন্ধ করতে এবং এর বাস্তুতন্ত্রের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “যারা সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক দেশগুলোকে সমর্থন করে, তারা দেখবে সন্ত্রাসবাদ তাদেরই পাল্টা হামলা করছে।” জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত তার জনগণকে রক্ষায় আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে এবং সন্ত্রাসী হামলাকারীদের বিচারের আওতায় এনেছে।” তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই আমাদের প্রধান কর্তব্য।” জয়শঙ্করের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে।



