ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর, ২০২৫) কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সরকারের প্রধানদের বৈঠকে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। জয়শঙ্কর বলেন, “বিশ্ব সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসবাদের সব ধরণের রূপ এবং প্রকাশের বিরুদ্ধে পুরোপুরি শূন্য সহনশীলতা দেখাতে হবে”।

19 Nov 2025 | Pic: Collected
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, এসসিও গঠিত হয়েছিল “সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং উগ্রবাদের তিনটি অশুভ শক্তি” মোকাবিলা করার জন্য — কিন্তু এখন সেই চ্যালেঞ্জ সময়ের সঙ্গে আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সেইজন্য, তিনি এসসিও সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাদের কাঠামো ও পদক্ষেপ আরও শক্তিশালী করার এবং সময়োপযোগী রূপান্তর আনার জন্য।
জয়শঙ্কর স্পষ্ট করে বলেছেন যে, “ভারত তার জনগণকে রক্ষার সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করতে প্রস্তুত” — অর্থাৎ, দেশের সুরক্ষা ও সুরক্ষা নীতিতে তার নীতি প্রজ্ঞাপিত মূল লক্ষ্য। তিনি বলেছিলেন, এই অধিকার প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা হবে, এবং তা শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব প্রয়াস হবে।
তাছাড়া, জয়শঙ্কর এসসিওর নিয়ন্ত্রক কাঠামোতে সংস্কারের প্রয়োজনও তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, সদস্যরা উপযুক্ত ভাষা ও প্রক্রিয়া উন্নয়ন করবে, যাতে তারা সময়োপযোগী ও কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে — যেমন ভাষার দৃষ্টিকোণ থেকে ইংরেজি ভাষাকে একটি “সরকারী ভাষা” হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
এই ঘোষণাটি কেবল ভারতের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা নয়, বরং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশটির নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গাকে শক্তিশালী করার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত। বিশেষত বর্তমান জগতে, যেখানে সন্ত্রাসবাদের নতুন মুখ এবং উপায় গড়ে উঠছে, জয়শঙ্করের এই কণ্ঠস্বর অনেকের কাছে একটি প্রতীকি দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সার্বিকভাবে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের জিরো টলারেন্স নীতিতে পুনর্ব্যক্ত প্রতিশ্রুতি শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয় — এটি একটি কৌশলগত সংকল্প যা তার দেশকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক প্রধান অবস্থানে রাখার আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।




