ভারতের তামিলনাড়ুর কারুর এলাকায় এক রাজনৈতিক সমাবেশ চলাকালীন জনসমাগমের উত্তেজনা ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছায় এবং থালাপতি বিজয়–এর সমর্থক সমাবেশে পদদলিত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১ জন — এতে উল্লেখ রয়েছে যে নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছেন। (সূত্র:Reuters প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে কমপক্ষে ৩৬ জন মারা গেছেন এবং ৫০ জনেরও বেশি আহত। ) সংবাদ অনুসারে, এই দুর্ঘটনা ঘটে যখন জনসমাগম রুক্ষ ও অতি উত্তেজনায় পর্যায়ক্রমে অযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং জনসড়তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা দেখা দেয়। (সূত্র: Times of India বর্ণনা করেছে যে দীর্ঘ বিলম্ব এবং অতিরিক্ত ভিড় সমাবেশকে “স্ট্যাম্পিড-লাইক” পরিস্থিতিতে পরিণত করে। )

27 September 2025 | Pic: Collected
জনস্বাস্থ্য ও সরকারি সূত্ররা জানাচ্ছে, মৃতদের মধ্যে আট জন শিশুও রয়েছেন, এবং হাসপাতালে আহতদের মধ্যে অনেক জনের অবস্থা গুরুতর। তামিলনাড়ু স্বাস্থ্য মন্ত্রী মা সুব্রমানিয়ান এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিশাল সংখ্যক মানুষ, এবং অনেকেই বক্তৃতার সময় বেহ হয়ে পড়েছিলেন — উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
এই ঘটনার পর তামিলনাড়ু সরকার একটি ম্যাজিস্ট্রেট‐স্তরের তদন্ত কমিশন গঠন করেছে, এবং মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে — প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে দশ লক্ষ রুপি ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাজ্য নেতারা ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুর্ঘটনা শুধু একটি রাজনৈতিক সমাবেশে জননিরাপত্তার ব্যর্থতা নয়, বরং বড় জনসমাগম আয়োজনে নিরাপত্তা পরিকল্পনার অভাব ও দুর্বল জনসংহতি ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন। ভারতের অতীতেও অনেক বার এমন ধরণের প্যানিক বা জনভিরি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ঘটেছে। এই ঘটনার ফলে আগামী রাজনৈতিক সমাবেশগুলিতে জননিরাপত্তা রক্ষার জন্য কঠোর নির্দেশিকা এবং পরিকল্পনা প্রয়োগের দাবি অনেক বেশি জোরালো হবে।




