দুবাই এবার ভার্চুয়াল বা ডিজিটাল নোমাড ভিসা প্রবর্তন করেছে। এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকরা এক বছরের জন্য দুবাইতে বসবাস ও কাজ করতে পারবেন। ভিসার মোট খরচ প্রায় ১৩,৫৯৬ টাকা। এই খরচের মধ্যে আবেদন ফি, এমিরেটস আইডি, চিকিৎসা পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য ফি অন্তর্ভুক্ত।
টিবিএন২৪-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিসা পেতে আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি ইউএই-এর বাইরে কোনো কোম্পানির সঙ্গে কাজ করছেন বা ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এছাড়াও আবেদনকারীর মাসিক আয় ন্যূনতম USD 3,500–5,000 হতে হবে। আবেদনকারীর স্বাস্থ্যবীমা এবং চিকিৎসা পরীক্ষার শংসাপত্রও জমা দিতে হবে।

18 August 2025 | Pic: Collected
এই ভিসা এক বছরের জন্য বৈধ। মেয়াদ শেষ হলে পুনরায় আবেদন করা সম্ভব। ভিসা প্রোগ্রামের মাধ্যমে আবেদনকারীরা আধুনিক জীবনযাত্রা, শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো এবং নিরাপদ পরিবেশের সুবিধা পাবেন। এছাড়াও ভিসাপ্রাপ্তদের জন্য আয়করমুক্ত জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা হয়েছে।
দুবাইয়ের এই ডিজিটাল নোমাড প্রোগ্রাম আন্তর্জাতিক কর্মীদের জন্য এক আকর্ষণীয় সুযোগ। বিশেষভাবে যারা ফ্রিল্যান্সার, প্রযুক্তি বা ক্রিয়েটিভ সেক্টরে কাজ করেন, তারা এই ভিসার মাধ্যমে সহজেই দুবাইতে বসবাস ও কাজ করতে পারবেন। প্রোগ্রামটি দুবাইকে আন্তর্জাতিক ডিজিটাল নোমাডদের জন্য একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করেছে।
ভিসা প্রক্রিয়া সরাসরি গভর্নমেন্টের GDRFAD পোর্টাল বা AMER সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে করা যায়। আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো, সব প্রয়োজনীয় নথি ও শর্ত পূরণ করা। নথি অসম্পূর্ণ বা শর্ত অমান্য করলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
ভিসার আনুমানিক খরচ USD 287 (AED 1,050)। তবে অতিরিক্ত খরচ যেমন স্বাস্থ্যবীমা, আইডি চার্জ এবং অন্যান্য সার্ভিস চার্জের কারণে USD 800–3,000 পর্যন্ত হতে পারে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এটি প্রায় ১৩,৫৯৬ টাকা।
ভিসা পেলে আবেদনকারীরা মাসিক আয় বজায় রেখে পরিবারের সঙ্গে নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারবেন। এই ভিসা কর্মসংস্থানের নমনীয়তা, আধুনিক জীবনযাত্রা এবং কর সুবিধার কারণে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২০২৫ সালের ভিসা গাইড অনুযায়ী, দুবাই আন্তর্জাতিক ডিজিটাল নোমাডদের জন্য অন্যতম সেরা গন্তব্য।
সারসংক্ষেপে, দুবাইয়ের ডিজিটাল নোমাড ভিসা বিদেশি নাগরিকদের জন্য এক স্বপ্নের সুযোগ। মাত্র এক বছরের জন্য খরচ প্রায় ১৩,৫৯৬ টাকা। আবেদনকারীরা আধুনিক জীবনযাত্রা, নিরাপদ পরিবেশ, শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো এবং আয়করমুক্ত সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এই ভিসা পুনরায় নবায়নের সুযোগও রাখে।




