২৬ অক্টোবর ২০২৫ – যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে প্রবেশ করেছে। Pete Hegseth (যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব) জানিয়েছেন, ভারত সঙ্গে একটি ১০ বছরের প্রতিরক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে, যা দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা, তথ্য ভাগাভাগি ও প্রযুক্তি উন্নয়নের পথ সুগম করবে।

31 Oct 2025 | Pic: Collected
চুক্তির মূল বিষয়গুলো হলো:
- দু’দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে তথ্য বিনিময় ত্বরান্বিত করা।
- উন্নত প্রযুক্তি ও অস্ত্রব্যবস্থায় অংশীদারিত্ব বাড়ানো।
- পারস্পরিক কৌশলগত ভারসাম্য ও Indo-Pacific অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
এ ধরনের চুক্তি এমন সময় আসছে, যখন বাণিজ্যিক আলোচনা পরবর্তী পর্যায়ে রয়েছে। Piyush Goyal-র মতে, ভারত দ্রুত কোনো বাণিজ্যচুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না যদি তা দেশের সার্বভৌম স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাণিজ্যের আগে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করা বলছে যে—এই দুই দেশ শুধু বাণিজ্যের জন্য নয়, কৌশলগতভাবে একসঙ্গে এগোচ্ছে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলো নতুনভাবে ভাবতে পারে যে, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এখন আরও গভীর হচ্ছে।
তবে বিশেষ দ্রষ্টব্য হলো—এই চুক্তি বাণিজ্যিক চুক্তির আগেই এসেছে, যা প্রথাগত কূটনৈতিক ধারা থেকে এক ধাপ এগিয়ে। অর্থাৎ, প্রথমে প্রতিরক্ষা বন্ধন দৃঢ় করা হয়েছে; পরে বাণিজ্যের মাধ্যমে সমন্বয় বাড়ানো হবে। এতে ভারতের সামরিক সক্ষমতা ও যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়া-প্রসার নীতি একসঙ্গে পরিণত হচ্ছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী Rajnath Singh বলেন, “আজ একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে আমাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে।”
এই চুক্তি ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভারতকে কেবল একটি বাণিজ্যিক অংশীদার নয়, বরং কৌশলগত মিত্র হিসেবে প্রত্যক্ষ করে। দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি অংশীদারিত্ব ও সামরিক মানচিত্রে পরিবর্তন আনতে পারে।
উপসংহারে, এই চুক্তি শুধু কাগজীর বন্ধন নয় — এটি এক রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা: “ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একসাথে, বাণিজ্যের আগেই প্রতিরক্ষা মঞ্চে।” এবং এই মঞ্চে সন্তুলন পরিবর্তিত হলে, দক্ষিণ এশিয়া এবং Indo-Pacific অঞ্চলে নতুন রূপরেখা গড়ে উঠতে পারে।




