
29 Nov 2025 | Pic: Collected
ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়া–র তীব্র বর্ষণ ও বন্যায় বিপর্যস্ত শ্রীলংকায় শনিবার (২৯ নভেম্বর ২০২৫) দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে, কারণ এখনো মৃতের সংখ্যা ১৩২‑এ পৌঁছেছে এবং অন্তত ১৭৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (DMC) জানিয়েছে। এক সপ্তাহের ধারাবাহিক ভারি বৃষ্টিপাতে ১৫,০০০‑এর বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে, এবং প্রায় ৭৮,০০০ মানুষ সরকার পরিচালিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দেশের বহু এলাকা — বিশেষ করে পাহাড়ি ও নদীনির্ভর — এখন পানি‑ভূমিধস ও রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ফলে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে বিপুল চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
সরকারি আদেশ অনুযায়ী জরুরি আইন কার্যকর হওয়ার ফলে সেনা, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে; তাদের সঙ্গে রয়েছে দুর্যোগকারী ও উদ্ধারদল, যারা বন্যাকবলিত এলাকায় জীবিত উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও রাস্তা মেরামতের কাজ করছে। ইতোমধ্যে অনেকে নদীর জলভাঙা এলাকা থেকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়েছে, কিন্তু বিদ্যুৎ ও পানির সংকট, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ও খাদ্য‑পানির ঘাটির মতো নতুন সংকট দেখা দিয়েছে।
প্রেমদূর্যোগ ও ভূমিধস — দুটির পাশাপাশি ভয়াবহ বন্যার কারণে দেশজুড়ে শান্তি ও নাগরিক নিরাপত্তা অক্ষুন্ন রাখতে এই জরুরি অবস্থা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত, সমন্বিত, এবং আরও কার্যকর ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজ করতে পারে সরকার।
এ পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কা সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সহযোগী দেশ‑সংস্থাগুলোর কাছে জরুরি সহায়তার আবেদন জানিয়েছে, কারণ ক্ষয়ক্ষতি, পুনর্বাসন ও ত্রাণসামগ্রী প্রেরণের জন্য দেশটির রাজস্ব ও সাধ্য সীমিত।
সংক্ষেপে — ভয়াবহ উপদ্রুত বন্যা‑ভূমিধস এবং দশকের অন্যতম বড় জলবায়ু বিপর্যয়ে শ্রীলঙ্কার ১৩২ জন নিহত, ১৭৬ নিখোঁজ, ১৫,০০০+ বাড়িঘর ধ্বংস, ৭৮,০০০+ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এবং দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা; উদ্ধার ও পুনর্বাসন কাজ তৎপর, আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন।




