9 Nov 2025 | Pic: Collected
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমানে ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৬৯ হাজার ১ শতাধিক, এমনই তথ্য পাওয়া গেছে যখন Gaza Strip এলাকায় চালু হওয়া যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ থামছে না। Israel Defense Forces (আইডিএফ) বলছে, তারা ‘সন্ত্রাসবাদী লক্ষ্যস্থল’ ধ্বংস করার জন্য বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে, আর রোববার এক প্রতিক্রিয়ায় তাদের বিমান হামলায় অন্তত ১০৪ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বহু নারী ও শিশু।
এই বিমান ও স্থল অভিযানের মধ্যেও যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকতে বলা হলেও সজাগ পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বাস্তবে তা কোনো নিয়মে মানা হচ্ছে না — কারণ এলাকাজুড়ে বোমা, গুলি ও গোলাবর্ষণ এখনও চলছে। একদিকে বোঝা যাচ্ছে, নিহত-সংখ্যার এত দ্রুত বৃদ্ধি হচ্ছে কারণ ঘোর দ্বন্দ্ব অঞ্চলে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে এবং ইংজেকশনচিহ্নিত মৃতদেহ নতুনভাবে শনাক্ত হচ্ছে; অন্যদিকে, খাদ্য, পানি ও চিকিৎসার ঘাটতির কারণে মানসিক ও স্বাস্থ্য সংকট ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে আলাদা বিশ্লেষণ শুরু করেছে যে এই সংখ্যার মদ্ধে কত শতাংশ সাধারণ বেসামরিক মানুষ, আর কত অংশ লক্ষ্যভিত্তিক হামলায় নিহত — তবে তথ্য সংগ্রহ দুরূহ হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির কথা যতই বলা হোক না কেন, যখন চালু অবস্থায় কার্যকর সুরক্ষা নেই — তখন সেটা কেবল শব্দ পরিমিত রূপেই রয়ে যায় এবং বাস্তবে পরিবর্তন আনে না।
গাজার এই বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে শুধু মৃতু্যর সংখ্যা নয়, হাজারো শিশু আজ হয়রানি, মানসিক ভীতি ও মৃ্তদেহ খুঁজে পাবার অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে। পাশাপাশি খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছাতে পারছে না শরণার্থী শিবিরগুলোতে, জলবায়ু নিরাপত্তা বিপন্ন হয়ে পড়েছে এবং ধ্বংস হয়েছে স্কুল, হাসপাতাল ও আবাসিক ভবনখণ্ড। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে — যুদ্ধবিরতি শুধুই অর্থাৎ “বোমা না পড়া সময়” নয়, এটি কি মানসিক নিরাপত্তা, সংহতি, পুনরুদ্ধার ও সহায়তার প্রতীক হিসেবে কাজ করছে কি না।



