
25 Oct 2025 | Pic: Collected
সৌদি আরবের রাজা King Salman bin Abdulaziz Al Saud বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৫) দেশের নতুন গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে ৯০ বছর বয়সী ধর্মগুরু Sheikh Saleh bin Fawzan al‑Fawzan (শৈখ সালেহ আল-ফাওযান)-কে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ মূলত kroon প্রিন্স Mohammed bin Salman-র সুপারিশের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আল-ফাওযান সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং ‘সিনিয়র স্কলারদের কাউন্সিল’ ও ‘জেনারেল প্রেসিডেন্সি অফ স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা’-র চেয়ারম্যান হবেন। তিনি সতীর্থদের মতে এক প্রবীণ সালাফি আলেম, লম্বা সময় ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, ফতওয়া প্রদান ও মিডিয়ামাধ্যমে ইসলামি বিষয় নিয়ে কর্মরত ছিলেন।
তাঁর নিয়োগের পর থেকেই আলোচনায় মূল বিষয়গুলো হলো — তিনি অতীতে শিয়াদের ব্যাপারে বিস্তর কঠোর মন্তব্য করেছেন, এবং তার ফতওয়া-প্রচলনকে অনেকরা প্রাধান্য দিয়ে দেখেছেন। এমন প্রেক্ষাপটে তাঁর নিয়োগকে রাজতান্ত্রিক ও ধর্মীয় পরিবর্তনের একটি নিদর্শন হিসেবে দেখা যেতে পারে। কারণ আগের গ্র্যান্ড মুফতি ছিলেন Abdulaziz al‑Sheikh, যিনি ১৯৯৯ সাল থেকে চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। আল-ফাওযান-এর নিয়োগে সৌদি ধর্ম ও রাজনীতির ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে—বিশেষ করে যখন দেশটি ‘ভিশন ২০৩০’ রূপান্তর নীতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলছে, যেখানে সামাজিক উদারীকরণ, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও পরিবর্তন দ্রুত দেখা যাচ্ছে।
আল-ফাওযান জানান, তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করায় সম্মানিত এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি “সৌদি আরব ও মুসলিম উম্মাহ’-র কল্যাণে কাজ করবেন” বলেও মন্তব্য করেন। তাঁর আগ্রহ কেন্দ্রীভূত হবে ইসলামি শিক্ষা উন্নয়ন, তফসির (ধর্মগ্রন্থ ব্যাখ্যা) ও সঠিক ফতওয়ার উপর। তবে মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে প্রশ্ন রয়েছে, সেটিও বাতাসে নেই; বিশ্লেষকরা বলছেন, তাঁর কঠোর মনোভাব ও পুরনো মন্তব্যকে সামনে রেখে সন্দেহ রয়েছে যে নতুন দায়িত্বে তিনি কতটা পরিবর্তন আনবেন। সব মিলিয়ে এই নিয়োগ শুধু ধর্মীয় নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ—কেননা এই পদ আন্তর্জাতিক মুসলিম বিশ্বে সৌদি আরবের প্রভাবের প্রতীক।




