সংযুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা সাবেক — The New York Times–এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর, ট্রাম্প আবারও এক নারী সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেছেন। তাঁর কথায়: “She is a third-rate reporter who is ugly, both inside and out.” মূলত প্রতিবেদনটিতে ট্রাম্পের বয়স, শারীরিক সক্ষমতা ও কোম্পানি-প্রদর্শন সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছিল, যা ট্রাম্প অস্বীকার করেছেন। এর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তিনি আরেক নারী সাংবাদিককে ‘Piggy’ (শূ-করছানা) নামে কটাক্ষ করেছিলেন — যা ইতিমধ্যেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।

27 Nov 2025 | Pic: Collected
ট্রাম্পের এই মন্তব্য সামাজিক মাপদণ্ডে ঝড় তুলেছে: অনেক পত্রিকা, সাংবাদিক সংগঠন ও মানবাধিকার গোষ্ঠী মন্তব্য করছেন, “এ ধরনের অপমান ও ব্যক্তিগত আক্রমণ কোনো গণমান্য প্রেসিডেন্টের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।” ওই সাংবাদিক Katie Rogers–কে উদ্দেশ্য করে করা এই কটূক্তির পর, তাঁর পত্রিকা ও সহকর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং বলা হয়েছে, “নাম-কথা বা কুদৃষ্টিযুক্ত শব্দ দিয়ে সাংবাদিককে ভয় দেখিয়ে সত্য নজরানির পথ বন্ধ করা যাবে না।”
হোয়াইট হাউজ প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt এই মন্তব্যকে “প্রেস-পক্ষের সঙ্গে সরাসরি, ভদ্র ও откровенный (স্পষ্ট) যোগাযোগ” বলেছে; তাঁদের মতে, ট্রাম্প তার পন্থায় “রাজনৈতিক শুদ্ধতার” নামে মিডিয়ার আগে সত্য তুলে ধরেন।
কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, এটি শুধু এক ব্যক্তি বা মিডিয়া-ঘটনা নয় — এটি একটি প্রেক্ষাপট যেখানে ক্ষমতার শীর্ষে থাকা ব্যক্তি গণমাধ্যম, বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের প্রতিনিয়ত ব্যক্তিগতভাবে হামলা করছেন; যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার মর্যাদা এবং প্রেস-কর্পসের নিরাপত্তা ও মর্যাদা উভয়কেই হুমকির মুখে ফেলছে।
এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিকগোষ্ঠী, সাংবাদিক সংগঠন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম — সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অনেকেই বলছেন, এটি একটি নির্দিষ্ট ধরণের ভয়-ভীতি তৈরীর চেষ্ঠা, যা যুক্তরাষ্ট্রে তথ্যের স্বাধীন চর্চা, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি — সবকিছুই দণ্ডাধীন করছে।




