সংরক্ষণপ্রার্থী রাজনীতিক ও কনজারভেটিভ সংগঠন Turning Point USA–র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ৩১ বছর বয়সী চার্লি কার্ক স্থানীয় সময় ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে Utah Valley University–তে (UVU) “American Comeback Tour” শিরোনামে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়া সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে হতাহত হন; প্রমাণিত তথ্য অনুসারে, কর্নারে স্থাপিত একটি ছাদ থেকে একক গুলিতে তাঁকে গলায় আঘাত করা হয় এবং ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শী বর্ণনায় দেখা যায় রক্ত বেরিয়ে পড়ছে তাঁর গলা থেকে, এরপর তিনি মাটি ভেঙে পড়েন, উপস্থিত প্রায় ৩,০০০ দর্শকেরা আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত স্থানটি নিরাপত্তার বলয়বদ্ধ করা হয়।

11 September 2025 | Pic: Collected
কর্ককে পুলিশ ও ফেডারেল কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে নেয়া হলেও তিনি শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন; Utah গভর্নর স্পেনসার কক্স এটি “রাজনৈতিক হত্যা” (political assassination) হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ঘটনাস্থল থেকে তদন্ত শুরু করেছেন, যেখানে FBI সহ স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অংশ নিয়েছে । ঐ সময় ভিডিওতে দেখা যায় একজন সন্দেহভাজন ডান হাত নিয়ে গায়ে আঁটা ব্লু শার্ট পরিহিত ব্যক্তি ছাদ থেকে দৌড়ান–প্রাথমিকভাবে তাকে আটক করা হলেও পরে ছাড়া দেওয়া হয়, কারণ তদন্তে তাকে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করা যায়নি ।
হত্যাকাণ্ডের একটি একক গুলি ছোড়া নাটকের মতো পরিকল্পিত বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল সীমিত—UVU ক্যাম্পাস ফ্ল্যাগ তলান করা হয়েছে, কলেজ তখন ছুটি ঘোষণা করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে; পাশাপাশি Turning Point USA সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে। আলাদা সেন্সহাল ভুলেও হলেও সম্ভবত তিনি আঁটকা অবস্থায় ছিলেন; এই ঘটনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনীতির উত্তাপ ও সহিংসতা “সাংবাদিক ও লোকসভার আলোচনায় সাধারণ হয়ে আসছে”—বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ ব্যাপক হয়েছে ।
ট্রাম্প Truth Social–এ লেখেন, “এটা আমেরিকার জন্য একটি অন্ধকার দিন। চার্লি কার্ক একটি কিংবদন্তি, যিনি সন্ত্রাস ও বিভেদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন”—আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনেকে, প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে ফ্ল্যাগ অর্ধেক নামিয়ে শোক প্রকাশ করা হয়; রাজনৈতিক নেতারা—রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—মিলিতভাবে এ হত্যাকাণ্ডকে নিন্দা জানিয়েছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন । এছাড়া, কানাডা, ইসরায়েল, ইউরোপীয় নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন এবং সক্রিয় ভাষায় সহিংসতা বন্ধে আহ্বান জানিয়েছেন। এই ঘটনা পরিণত হয়েছে যে শুধু একজন ব্যক্তির হত্যাকাণ্ড নয়, বরং তা গোটা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক মর্মান্তিক প্রতিবিম্ব—যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন আবারও উঠেছে।




