সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরান ইস্যুতে ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন। সম্প্রতি দেওয়া একাধিক বক্তব্য ও সাক্ষাৎকারে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে “ঠিকভাবে আচরণ” করে, তবে দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হতে পারে।

Source: Online Report | 30 June 2025 | Pic: Collected
তবে একদিনের ব্যবধানেই তিনি আবারও জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির “ঘৃণামূলক” মন্তব্যের কারণে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। ২৪ জুন নিজের প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরানের তেল কেনা নিয়ে চীনকে ছাড় দেওয়া যেতে পারে, কারণ গাজা যুদ্ধের পরে ইরানকে পুনর্গঠনের জন্য আয় দরকার।
কিন্তু একদিন পরেই তিনি বলেন, এই মুহূর্তে চীনের এমন কোনো ছাড় পাওয়া ঠিক হবে না। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে মার্কিন সরকারকে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে এবং ইরান যদি শান্তিপূর্ণ ও আস্থাযোগ্য আচরণ করে, তাহলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে। ট্রাম্প আরও বলেন, “তারা যদি শান্তিপূর্ণ থাকে এবং ক্ষতি না করে, তাহলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি হবে।
” তবে বর্তমানে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে এবং চীনকে ইরানি তেল কেনার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টিও নাকচ করেছেন তিনি। ট্রাম্প ইরানকে “প্রাথমিক সমস্যা” উল্লেখ করে জানান, ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইরানের আগ্রাসী ভূমিকা একটি বড় বাধা ছিল। তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি একসময় ইরানও আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দেবে। যদি তা করত, তারা অনেক ভালো অবস্থানে থাকত।” উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রশাসন আমলে ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, যার একটি বড় অংশ ছিল তেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করা।




