যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ২৫% ‘পারস্পরিক’ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা কার্যকর হবে আগস্ট ১ থেকে । এই ঘোষণা তিনি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রনায়কদের উদ্দেশ্যে লেখা আলাদা দুটি চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছেন, যা তিনি নিজস্ব সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘Truth Social’-এ প্রকাশ করেছেন । শুল্ক বৃদ্ধি আসছে ৯ জুলাইর আগে দেশের নেতৃত্বের সঙ্গে চলমান আলোচনা শেষ হওয়ার পর—বিশেষ করে এপ্রিলেই শুরু হওয়া ৯০ দিনের স্থগিতাদেশ শেষ হতেই তা কার্যকর হচ্ছে ।

8 July 2025 | Pic: Collected
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, “এখন যদি এই দুই দেশ আমেরিকার জিনিসে নিজেদের শুল্ক বৃদ্ধি করে, তবে আমরাও তার পরিমাণ যোগ করব ২৫%–এর উপরে” । অর্থাৎ, যদি তারা আমাদের শুল্ক বাড়ায়, তবে তাদের পণ্যের ওপর আমরাও সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করব। যদিও জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয় দেশের সরকার মসৃণ সমঝোতার আশায় বাণিজ্য আলোচনায় ব্যস্ত রয়েছে ।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা জানিয়েছেন, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে “জাতীয় স্বার্থ রক্ষা” করে একটি আলাদা স্তরের আওতায় আলোচনায় নিচ্ছে, বিশেষ করে তাদের মোটর এবং কৃষি খাত সংরক্ষণের কথা বিবেচনায় নিতে চায় । দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানই আজ তিন-সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা করতে মরিয়া, যাতে August ১–এর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা যেতে পারে ।
সংক্ষেপে মূল তথ্য:
- শুল্ক হার: ২৫%
- কার্যকর হবে: আগস্ট 1, 2025 থেকে
- কারণ: ৯ জুলাইয়ের ৯০ দিনের স্থগিতাদেশ শেষ হওয়ায়
- উত্তর ও নেতিবাচক প্রভাব: জাপান ও কোরিয়া এখন সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
বর্তমানে এই শুল্ক রদ বা হ্রাস করার জন্য আলোচনায় ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে মার্কিন অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন, এই বিস্তৃত শুল্ক ব্যবস্থা গ্লোবাল বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি সম্পর্ক ও চালান খরচে চাপ সৃষ্টি করতে পারে । ইউরোপ ও এশিয়ার অন্যান্য শক্তিশালী অর্থনীতিগুলোও জোরালো সফট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।



