ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিনি কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক (Tariff) প্রযোজ্য করবেন — এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে তিনি কানাডার একটি প্রদেশে তৈরি এক বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত বক্তব্যকে তুলে ধরেছেন, যা তিনি “উগ্র ও শত্রুভাবাপন্ন” বলছেন। ট্রাম্পের মতে, ওণ্টারিও প্রদেশের সরকারের অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচারিত টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে যুক্ত হয়েছে রোনাল্ড রেগান-এর ১৯৮৭ সালের বক্তব্যের একটি অংশ, যেখানে তিনি কীভাবে শুল্ক (tariffs) লাগিয়ে দেশের কর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেছিলেন। ট্রাম্প সেই বিজ্ঞাপনকে “ভুল ব্যাখ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলছেন।

26 Oct 2025 | Pic: Collected
ট্রাম্প এক সংকেতটুই দিয়েছেন যে, “এই ধরনের শত্রুভাবাপন্ন প্রচার-প্রচারণার জন্য আমেরিকা চুপ করে থাকবে না” এবং তাই তিনি तत्काल এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। মহামূল্যবান এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র–কানাডার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে নিয়ে এসেছে।
এই শুল্কবৃদ্ধি এখনও কার্যকর হয়েছেঃ না, কখন শুরু হবে—তা স্পষ্ট বলা হয়নি। ট্রাম্প তাঁর Truth Social পোস্টে লিখেছেন — “Because of their serious misrepresentation of the facts, and hostile act, I am increasing the Tariff on Canada by 10 % over and above what they are paying now.”
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু অর্থনৈতিক নয়—এটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ভাবেও বড় সঙ্কেত। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য রয়েছে বহু বছর; অনেক পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে United States–Mexico–Canada Agreement (USMCA) আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে—এই নতুন শুল্ক কবে আর কিভাবে কার্যকর হবে, কানাডার পণ্য-শুল্ক বাহির হবে কিনা এবং এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না দীর্ঘবর্তী আলোচনায় অংশ নেওয়া হবে।
একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, শুল্ক বাড়ালে আমেরিকার ভোক্তাদের ওপর দাম বাড়ার সম্ভাবনা আছে; অন্যদিকে কানাডার সরকার ইতিমধ্যে জানিয়েছে তারা “নির্ধারিত আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত”।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোও এই ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য-সঙ্কটে নজর রাখছে—কারণ বড় দেশগুলোর শুল্ক ও বাণিজ্য নীতি পরিবর্তন হলে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে তাঁদের রপ্তানি, সাপ্লাই চেইন ও বাজারের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
সারাংশে বলা যায়—ট্রাম্পের এই ১০ % অতিরিক্ত শুল্ক ঘোষণা কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য-ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে এক নতুন অধ্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্লেষকরা বলছেন এর প্রভাব গভীর হবে, ভবিষ্যতে বিকল্প বাজার খোঁজার দিক থেকে এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে।




