মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথমবারের মতো হোয়াইট হাউসে বৈঠকে বসেছেন কানাডার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।

Source: Al Jazeera | 7 May 2025 | Pic: Collected
এই বৈঠকে ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক এবং কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত করার হুমকির মতো বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। কার্নি স্পষ্টতই ট্রাম্পের এই আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেন।
ট্রাম্পের ২৫% শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় কানাডা ৩০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্যের উপর সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করে। কার্নি ঘোষণা করেন, “আমরা আমাদের শুল্ক বজায় রাখব যতক্ষণ না আমেরিকা আমাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং ন্যায্য বাণিজ্যের প্রতিশ্রুতি দেয়।”
বৈঠকে ট্রাম্প কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। জবাবে কার্নি বলেন, “কানাডা বিক্রির জন্য নয়। আমেরিকা কখনোই কানাডা হবে না।”
অন্যদিকে, ট্রাম্পের বিদেশী চলচ্চিত্রের উপর ১০০% শুল্ক আরোপের ঘোষণায় হলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অভিনেত্রী হুপি গোল্ডবার্গ এই নীতিকে সৃজনশীল স্বাধীনতার উপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেন।
এই পরিস্থিতিতে কার্নির হোয়াইট হাউস সফর দুই দেশের ভবিষ্যত সম্পর্ক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। কানাডা তার আত্মমর্যাদা রক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।
এই বৈঠকটি প্রমাণ করে যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সম্মান এবং ন্যায্যতা অপরিহার্য। কানাডা তার অবস্থানে অটল থেকে বিশ্বকে একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে।




