যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট বৃহস্পতিবার থেকে মার্কো রুবিও ও ট্রাম্প প্রশাসনের ‘অ্যামেরিকা ফার্স্ট’ কূটনৈতিক রূপান্তরের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ১,৩৫০ জন (১,১০৭ জন সিভিল সার্ভিস + ২৪৬ জন ফরেইন সার্ভিস) কর্মীর ছাঁটাই শুরু করেছে, যা পরবর্তীতে স্বেচ্ছায় অবসরসহ মিলিয়ে মোট প্রায় ৩,০০০ কর্মীর সংখ্যা পৌঁছাতে পারে—এবং এই ছাঁটাই ১৮,০০০ কর্মীর একাংশ থেকে হচ্ছে।

12 July 2025 | Pic: Collected
যদিও স্টেট ডিপার্টমেন্ট বলছে, এই পদক্ষেপগুলো “non‑core functions”, ডুপ্লিকেট অফিস বা অপ্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর কর্মী সংখ্যা কমিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি ও বাজেট সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। তবে সমালোচকরা—including ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর টিম কেইন ও ক্রিস ভ্যান হলেন—এই সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক ভূমিকাকে দুর্বল করার পাশাপাশি শত্রু শক্তির প্রভাব বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন।
রুবিও এই রূপান্তরকে “বেস্ট্রিওক্রেসির জট এত বৃদ্ধি পেয়েছে যে এটি কার্যকর নয়” বলে বিশ্লেষণ করেছেন; এবং এই পরিকল্পনার আওতায় বহু মানবাধিকার ও যুদ্ধাপরাধ-মনিটর অফিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি ন্যায়বান্ধব সিদ্ধান্তে বৃহৎ কর্মী ছাঁটাই কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে, যাতে এই পদক্ষেপগুলো অবিচ্ছিন্নভাবে শুরু করতে সুবিধা হয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের সদর দফতরে ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা emotional “clap-out” বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, যেখানে সহকর্মীরা বিদায়ী কর্মীদের বিদায় জানিয়েছেন—এই দৃশ্য আন্তর্জাতিক সংবাদেও উঠে এসেছে। নোটিশ অনুযায়ী, সিভিল সার্ভিস কর্মীরা ৬০ দিন, ফরেইন সার্ভিস কর্মীরা ১২০ দিনের মধ্যে কার্যত পদত্যাগ করবেন। ছাঁটাইয়ের এই পরামর্শমূলক সমন্বয় স্টেট ডিপার্টমেন্টে ১৮ শতাংশ কর্মী কাটানোর সমপরিমাণ এবং বহু অভিজ্ঞ কূটনীতিজ্ঞকে কাজছাড়িয়ে যাওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।




