যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন যে, যদি ভেনিজুয়েলার সরকার তাঁদের ‘মানুষ পাচার’, ‘বন্দী’ এবং ‘মানসিক হাসপাতালে পাঠানো ব্যক্তিদের’ যুক্তরাষ্ট্রে প্রেরণের অভিযোগের সত্যতা গ্রহণ না করে, তাহলে ভেনিজুয়েলা “অঙ্কন বিহীন” বা “incalculable” পরিণতির মুখে পড়বে। ট্রাম্প বলেছিলেন, “সেই মানুষদের এখনই আমাদের দেশে ফেরত নিয়ে আসুন, নতুবা আপনি যে মূল্য চুকাবেন, সেটি অঙ্কন করতে পারা যাবে না।”

21 September 2025 | Pic: Collected
এই হুঁশিয়ারি এমন এক ঘটনায় এল যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনিজুয়েলা থেকে আসা নাবিক একটি অভিযোগযুক্ত মাদকবাহী নৌকা লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালায়, যেখানে তিনজন নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মাদক পাচার প্রতিরোধকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবে দেখছে এবং “ড্রাগ টারররিস্ট” হিসেবে এই ধরনের নৌকাগুলোকে চিহ্নিত করছে।
ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণভিত্তিক কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক আগ্রাসনের চিহ্ন হিসেবে সমালোচনা করেছেন। মাদুরো বলছেন, “তারা আমাদের উপর ক্রমাগত আগ্রাসনের রাজনীতি চালাচ্ছে, আমাদের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা লঙ্ঘন করছে।” তিনি আরও বলেছেন যে বিরোধপূর্ণ নীতি ও আক্রমণমূলক হুমকি ভেনিজুয়েলাকে জনগণের মধ্যে mobilisation বাড়াতে বাধ্য করছে।
এই হুঁশিয়ারি ও প্রতিক্রিয়া এমন এক সময় এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। মার্কিন নৌবাহিনী, সাবমেরিন এবং স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে, বিশেষ অংশ হিসেবে Puerto Rico ও অন্যান্য নৌ-রুট ব্যবহার হচ্ছে। আইন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ধরণের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও তৎকালীন মানবাধিকার বিধি-নিষিদ্ধতার দৃষ্টিকোণ থেকে পরীক্ষা করা উচিত। কারণ, অভিযানের বিবরণ ও প্রমাণ এখনও বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
সংক্ষেপে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভেনিজুয়েলা যদি দাবি পূরণ না করে, তাহলে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ হতে পারে, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে সামরিক প্রতিক্রিয়া পর্যন্ত সম্ভাবনা থাকতে পারে।




