যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন ইসরাইলকে, যেখানে তিনি বলেছেন যে ইসরাইল কাতারকে “একজন মহান মিত্র” হিসেবে বিবেচনা করা উচিত এবং কাতারে হওয়া হামের (Hamas) নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে করা হামলায় বেশি সতর্ক থাকতে হবে যেন তা যুক্তরাষ্ট্রের ও ইসরাইলের স্বার্থে বিপদজনক না হয়। ট্রাম্প বলছেন, “কাতার এক ভালো মিত্র, আমাদের সবাইকে খুবই সতর্ক থাকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ইসরাইল হামাস মোকাবেলায় কিছু করতে চাইলে সেটা হোক এমনভাবে যাতে কাতারের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রক্ষা পায়।

15 September 2025 | Pic: Collected
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ইসরাইল গত ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের রাষ্ট্রীয় রাজধানী দোহায় একটি পরিকল্পিত হামলা চালায়, যেখানে হামাসের শীর্ষ নেতা-নেত্রীদের অবস্থান ছিল বলে দাবি করা হয়। এই হামলায় প্রাণ হারায় পাঁচ জন হামাস কর্মী ও একজন কাতার সুরক্ষা সদস্য। হামলা ইসরাইলের পক্ষ থেকে একটি একতরফা সিদ্ধান্ত ছিল বলে ট্রাম্প প্রশাসন উল্লেখ করেছে, এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ঘটনাটি আগে জানানো হলেও সেটা সময়মতো হয়নি বলে জানায়। ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, “আমরা কাতারকে জানাতে বলেছিলাম, তবে দুঃখজনকভাবে খুব দেরি হয়ে গিয়েছিল।”
ট্রাম্প আরও বলেন, এমন হামলা “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল উভয়ের স্বার্থে কাজ করে না”, বিশেষ করে যখন কাতার শান্তি আলোচনার একটি মধ্যস্থতার ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি জানিয়েছেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-র সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং কাতারের শাসক ও সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়।
এই উত্তেজনা চলমান গাজা যুদ্ধ ও হামাস-ইসরাইল সংঘর্ষের একটি নতুন দিক তুলেছে, যেখানে কাতারের ভূমিকা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূক্ষ্ম একটি ভারসাম্যের পরিচায়ক এবং যুদ্ধের নীতিতে আরও সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত।




