যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ১০০ দিনে, ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS) প্রায় ৪,০০০ আন্তর্জাতিক ছাত্রের ভিসা বাতিল করেছে।

Source: Online Report | 7 May 2025 | Pic: Collected
এই পদক্ষেপের পেছনে প্রধানত গুরুতর অপরাধমূলক রেকর্ড এবং সামাজিক মিডিয়ায় ‘অ্যান্টি-আমেরিকান’ বা ‘অ্যান্টিসেমিটিক’ কার্যকলাপের প্রমাণ ছিল। Fox News
USCIS ঘোষণা করেছে যে, এখন থেকে ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক মিডিয়া কার্যকলাপ পর্যালোচনা করা হবে, যেখানে কেউ যদি অ্যান্টিসেমিটিক সন্ত্রাসবাদ বা সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলিকে সমর্থন করে, তবে তা ভিসা অনুমোদনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এছাড়াও, USCIS তাদের নীতিমালায় পরিবর্তন এনে শুধুমাত্র দুইটি জৈবিক লিঙ্গ—পুরুষ ও মহিলা—স্বীকৃতি দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে, আবেদনকারীদের জন্ম সনদে উল্লেখিত লিঙ্গ অনুযায়ী তথ্য প্রদান করতে হবে, এবং তৃতীয় লিঙ্গ বা ‘X’ চিহ্নিত করার সুযোগ বাতিল করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জোর দিয়ে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করা কোনো অধিকার নয়, এটি একটি বিশেষাধিকার।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যারা মার্কিন আইন ও মূল্যবোধকে সম্মান করে না, তাদের ভিসা বাতিল করা হবে।
এই কঠোর নীতিমালার ফলে, অনেক আন্তর্জাতিক ছাত্র যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন যে, এই পদক্ষেপগুলি যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক ছাত্রদের আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রাজস্ব ও বৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করবে।
পাঠকদের প্রতি আহ্বান:
আপনি যদি যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা বা ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে আপনার সামাজিক মিডিয়া কার্যকলাপ এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকুন। বর্তমান নীতিমালার আলোকে, আপনার অনলাইন উপস্থিতি আপনার ভিসা আবেদন বা স্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। সর্বদা আপডেটেড তথ্যের জন্য USCIS-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শন করুন এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।




