যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ৭ অক্টোবর ভোটের মাধ্যমে পল কাপুর (Paul Kapur) কে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহ-রাষ্ট্রমন্ত্রী (Assistant Secretary of State for South and Central Asian Affairs) পদে অনুমোদন দিয়েছে, ফলে তিনি ডোনাল্ড লু’র স্থলাভিষিক্ত হবেন। কাপুরের অনুমোদন একটি সংকটপূর্ণ সময় ঘটেছে—কারণ মার্কিন সরকার তখন শাটডাউনের মুখে রয়েছে। ডোনাল্ড লু গত জানুয়ারি ওই পদ থেকে অবসরগ্রহণ করেছিলেন এবং বর্তমানে পল কাপুরই সেই দায়িত্বভার গ্রহণ করছেন। কাপুরের নিয়োগ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত হয়েছিল, এবং আজ এই পদে তিনি উত্তীর্ণ হলেন।
8 Oct 2025 | Pic: Collected
পল কাপুর একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত পৃষ্ঠপোষক এবং দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিষয়বস্তু ও নিরাপত্তাবিষয়ক একাডেমিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। তিনি যুক্তরাষ্ট্র নৌপ্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ে (U.S. Naval Postgraduate School) অধ্যাপনা করেছেন এবং Stanford বিশ্ববিদ্যালয়ের Hoover Institution-এ ফেলো ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়া নীতি, পারমাণবিক নিরাপত্তা ও ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে তাঁর লেখনী ও গবেষণা তাকে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, তার নিয়োগে আমেরিকার দক্ষিণ এশিয়া নীতি আরও ভারত-উপযোগী হতে পারে এবং পাকিস্তানের প্রতি কঠোর মনোভাব বাড়তে পারে।
বর্তমানে, পল কাপুরের দায়িত্বগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক আন্তর্জাতিকভাবে নজর কাড়বে। বিশেষ করে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান প্রভৃতির ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব পাবে। নতুন দায়িত্ব নেয়ার আগে কাপুর বলেছেন, তিনি “দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার অংশীদারিত্ব ও স্থিতিশীলতা” উন্নয়নে কাজ করবেন এবং ঐ অঞ্চলের জাতিগোষ্ঠীর সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো বোঝার চেষ্টা করবেন।
এই পরিবর্তনের ফলে, আমেরিকার এভারগ্রীন কূটনৈতিক নীতি ও দক্ষিণ এশিয়ায় তার ভূমিকা নতুন একটি অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক, পাকিস্তান-চীন উত্তেজনাসহ অঞ্চলভিত্তিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সংঘাতগুলো এখন নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনার সুযোগ পাচ্ছে।



