যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া Asia-Pacific Economic Cooperation 2025 (APEC) সম্মেলনের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-র সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, “দক্ষিণ কোরিয়ায় শি-র সঙ্গে একটি দীর্ঘ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে, যেখানে অনেক বড় ইস্যু আমরা আলোচনা করব।” মার্কিন অর্থ ও বাণিজ্য কর্মকর্তা ইতিমধ্যে এ বিষয় নিয়ে চীনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ চালাচ্ছেন যাতে বৈঠক সফল হয়।

23 Oct 2025 | Pic: Collected
বৈঠকে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, সয়াবিন আমদানি, রাশিয়ার তেল কেনা, এবং পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ। ট্রাম্প গত ২২ অক্টোবর এক বুধবার প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে সাংবাদিকদের জানান, “আমি মনে করি আমরা একটি চুক্তি করব”—ইঙ্গিত দিয়েছেন শি-র সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক দিকেই যাচ্ছে।
তবে অতিমাত্রায় আশাবাদী হতে বলছেন না বিশ্লেষকরা। Fudan University-র গবেষক জানিয়েছেন, “চীন একমাত্র আলোচনায় বিশ্বাস করে না—হাতিয়ার সমন্বয়ও চাইছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে”। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ফলাফলের সম্ভাবনা থাকলেও তা সীমিত হতে পারে বলছেন তারা।
এই বৈঠক আদৌ হবে কি না, তাও নিশ্চিত নয়—ট্রাম্প নিজে আগে বলেছিলেন বৈঠক নাও হতে পারে।
বিষয়টি কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়— এটি সামগ্রিকভাবে এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলে বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তার পরিপ্রেক্ষিত বদলে দিতে পারে।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও এই বৈঠক গুরুত্ব বহন করে— কারণ চীন-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক-বাণিজ্যিক পরিবর্তন জরুরি সরবরাহ শৃঙ্খল, প্রযুক্তি রপ্তানি এবং আন্তর্জাতিক মোডেলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এবারে ট্রাম্প-শি বৈঠকের প্রস্তুতি এবং তা সফল হলে পরবর্তী কূটনৈতিক গতিবিধি কেমন হবে, তা সব পক্ষ চোখ রাখছে।




