ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি পরিবারের সদস্যদের স্পন্সর করার নিয়মে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনার পথে রয়েছে, যার ফলে অভিবাসন ও পরিবারের পুনর্মেলন (family reunification) প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
6 Oct 2025 | Pic: Collected
প্রধান পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- স্পন্সরযোগ্য সদস্যদের সীমিত করা: অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দারা বাবা-মা, ভাই-বোন, বড়াই ও ছোটাই সন্তান — এসব পরিবারের সদস্যদের স্পন্সর করতে পারতেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন পরিকল্পনা করছে স্পন্সরযোগ্য সদস্যদের কেবল স্বামী/ স্ত্রী ও নাবালক সন্তান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করার।
- Public Charge Rule পুনঃপ্রবর্তন ও কঠোরতা বৃদ্ধি: অর্থনৈতিক সক্ষমতা খতিয়ে দেখার “public charge” নীতি পুনরায় চালু করার প্রবণতা রয়েছে, যেখানে স্পন্সর ও প্রার্থী উভয়েরই আয়, ব্যাংক হিসাব, আর্থিক সমর্থন বিষয়ক উপাত্ত আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।
- দস্তাবেজ ও প্রমাণের বোঝা বাড়ানো: স্পন্সর প্রার্থীদেরকে আরও বেশি প্রমাণ (financial statements, আয়কর রিটার্ন, ব্যাঙ্ক সঞ্চয়, অন্যান্য সম্পদ) জমা দিতে হবে। আগের যে রিলাক্সেশন ছিল, তা কড়াকড়ি আরোপের উদ্দেশ্যে বদলাতে পারে।
- প্রসেসিং সময় ও তদন্ত বাড়ানো: আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় লাগতে পারে বেশি হতে, কারণ প্রশাসন উচিত “background checks” ও “vetting” আরো গভীরে করবে।
- স্পন্সরদের নির্ধারিত দায় (liability) বাড়ানো: স্পন্সরদেরকে অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতার জন্য কঠোর আইনগত দায় নিতে হতে পারে, যাতে প্রার্থী যদি কোনো সরকারি অর্থ সহায়তা (public benefits) নেয়, তাহলে স্পন্সরকে তা ফেরত দিতে হবে এমন নিয়মও আওতায় আসতে পারে।
এই পরিবর্তনগুলি বাস্তবায়িত হলে, স্পন্সর দিয়ে পরিবারের সদস্যদের আমদানি বা পুনর্মিলন প্রক্রিয়া অনেক কঠিন হয়ে উঠতে পারে। অনেক পরিবারেই বিপুল সময় ও অর্থ খরচ বাড়বে, বিশেষ করে যারা মধ্য আয়ের পরিবার ও সীমিত সম্পদ রয়েছে তাদের জন্য।
তবে, এখনও নিশ্চিত নয় যে সব পরিবর্তনই আইনগতভাবে প্রয়োগ হবে। অনেকটাই নির্ভর করছে মার্কিন কংগ্রেস, আদালত এবং অভিবাসন নীতিগুলোর সাথে আলোচনা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।



