যুক্তরাষ্ট্রে চলমান October 2025 United States federal government shutdown-এর প্রেক্ষিতে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে তাত্ক্ষণিক হয়ে উঠেছে তা হলো “কারা বেতন পাচ্ছেন আর কারা পড়ছেন বিপাকে?” ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকেই বাজেট চুক্তি না হওয়ায় সরকারের অনেক আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে সে অবস্থায় দেখা গেছে, কিছু নির্ধারিত নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সংস্থা-কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন, অন্যদিকে হাজার হাজার ফেডারেল কর্মচারী বেতনবিহীন অবস্থায় কাজ করছেন বা কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রয়েছেন।

23 Oct 2025 | Pic: Collected
Department of Homeland Security (DHS)-র অন্তর্গত Immigration and Customs Enforcement (ICE), Customs and Border Protection (CBP), Secret Service ও Transportation Security Administration (TSA)-র মতো সংস্থার প্রায় ৭০,০০০ জন আইনপ্রয়োগকারী কর্মী বিশেষভাবে বেতন পাচ্ছেন, যাদের কার্যক্রম নিরাপত্তা ও সীমান্ত রক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।তাতে দেখা যাচ্ছে, এই কর্মীদের জন্য “সুপারচেক” নামের এক ঝটপট বেতনের ব্যবস্থা হয়েছে, যা শাটডাউনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ও পরবর্তী বেতনের সময়কালকে একসাথে মেটাবে। অন্যদিকে, এসব সংস্থার সহকারী কর্মীরা, প্রশাসনিক কর্মীরা ও অন্যান্য সাধারণ সরকারি কর্মকর্তা বর্তমানে বেতন পাননি বা সুনির্দিষ্ট বেতনের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না।
এছাড়া, কংগ্রেসের সদস্য এবং ফেডারেল বিচারকরা সংবিধানগতভাবে বেতন পাচ্ছেন, কারণ তাদের বেতন বরাবর নিজস্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দুই-পদবির ব্যবধান (“পেইড” ও “আন-পেইড”) শ্রমিক মনোবল ও সরকারি কার্যক্রমে পার্থক্য বাড়াচ্ছে। তাছাড়া, Government Employee Fair Treatment Act of 2019 নামে ২০১৯ সালে আইন পাশ করা হয়েছিল, যাতে শাটডাউনের সময় বেতনবিহীন কাজ করা কর্মীদের পরে এক বারিয়ায় বেতন দেয়া হবে বলে বলা হয়েছিল। কিন্তু হোয়াইট হাউস থেকে সদ্য প্রকাশিত এক স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, শাটডাউনে furlough (চাকরি থেকে সাময়িক বাদ দেওয়া)-প্রাপ্ত কর্মীদের এই ক্যাটাগরিতে বেতন পাবার নিশ্চয়তা নেই।
এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ সরকারি কর্মচারী, ঠিকাদার কর্মী ও নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিবার আর্থিকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন — ব্যাংক লোন, ভাড়া কিংবা দৈনন্দিন খরচ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।এ ছাড়া, বিভিন্ন সরকারি সেবা যেমন খাবার সহায়তা (SNAP), শিশুবিকাশ কর্মসূচি (WIC) ও আবাসন সহায়তা গত কয়েক সপ্তাহে বিলম্বিত হতে পারে। সামগ্রিকভাবে, শাটডাউনের কারণে শুধু নির্দিষ্ট কর্মকর্তা নয়, পুরো প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে — সংক্ষুব্ধতা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা প্রকট হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই রাজনৈতিক চাবুকের কারণে কতটা শ্রমিক-সাধারণের বোঝা বাড়ছে এবং সরকারের মূল দায়িত্ব কতটা পর্যাপ্তভাবে পালন হচ্ছে।




