নিউ ইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনের ক্রাউন হাইটস’ অঞ্চলের সেন্ট জনস প্লেস, যার পাশে অবস্থিত ফ্ল্যাটে ঘটে এক হৃদয়বিদারক পরিবারের অভ্যন্তরীণ হত্যাকাণ্ড। ২৬ জুলাই বিকেল ৫:৫৫ মিনিটে, ৬৪ বছর বয়সী ম্যারি ফ্যাগান নামে এক নারীর নিহত অবস্থায় তার বাসায় পাওয়া যায়। প্রথমদিকে পুলিশ ঘটনাটিকে কোনো সহিংস ঘটনায় সন্দেহ করেনি, কিন্তু পরে তদন্তে উঠে আসে হত্যার প্রমাণ। পুলিশের জানায়, নিহতের গলায় ‘কালশিটে’ (হাত দিয়ে আঁটানো ঠোস) দেখতে পাওয়া গেছে এবং ময়না তদন্তে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘neck compression’, অর্থাৎ গলায় চাপ প্রয়োগ থেকে শ্বাসরুদ্ধ করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত হয়।

৬৮ বছর বয়সী টমাস ফ্যাগান, মুক্তভাবে পুলিশের সামনে স্বীকার করেন—তিনি তার বোন ম্যারিকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার কথা। পূর্বে তার কোনো অপরাধমূলক ইতিহাস বা গৃহহিংসার ঘটনা পুলিশ রেকর্ডে ছিল না। মামলার সূত্রে জানা যায়, টমাসের বিরুদ্ধে পরিবারের ম্যূখে কোনো প্রকার চরম বিদ্বেষ বা ঝগড়া কখনোই নির্মিত হয়নি—প্রাথমিকভাবে পুলিশ কোনো অস্বাভাবিকতা খুঁজে পায়নি। তারপরেও টমাস স্বীকার করেন—তিনি বোনকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করেছেন। এরপর শনিবার রাতে তাকে আটক করা হয়, এবং বুকলিন ক্রিমিনাল কোর্টে গুরুতর অভিযোগে আগাম জামিন ছাড়া জেল রাখা হয় ।
এই হত্যাকাণ্ডটি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং পরিকল্পিত নয়, বরং মুহূর্তে হওয়া দুর্ঘটনা—তবে এর পরিণতি ছিল মারাত্মক। গত বছরের এই ঘটনা স্থানীয় কমিউনিটিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, যেখানে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন—এ ধরনের শোকবিষণ্নতা পরিবারে আগে কখনো দেখা যায়নি। পুলিশ এবং মামলা দায়িত্ব পালনকারী আইনজীবীরা কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে এখনো মন্তব্য করেননি।
আপডেট অনুসারে এখনো টমাস ফ্যাগানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ প্রক্রিয়া চলছে, উপযুক্ত প্রমাণ ও সাক্ষী সুরাহায় ধরা হবে। গুরুতরভাবে আলোচনা হচ্ছে, কীপর্যায়ে মানসিক সুস্থতা বা আজীবন আদালতের যাবতীয় কাঠামোগত তদন্ত প্রয়োজন হতে পারে।




