যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জনগণের সামনে ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি চান Joe Biden-এর প্রেসিডেন্ট হওয়া “কারচুপি” ছিল বলে একটি তদন্ত খোলা হোক। ট্রাম্প এক ভার্চুয়াল প্রচারণার সময় বলেছেন, “বাইডেন প্রেসিডেন্ট হয়েছেন কারচুপির মাধ্যমে, আমি চাচ্ছি প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসুক।” ট্রাম্প যুক্তি দিয়েছেন যে ২০২০ সালের নির্বাচনের পর ‘ব্যাপক ভোট ভুয়া ও হস্তক্ষেপ ছিল’ এবং সেই কারনে বাইডেনের জয় বৈধতা পেল না। তিনি আরো বলেছেন, “আমি মূলত একটি ব্যাপার দেখতে চাইছি—কারচুপি হয়েছে কি না, নির্বাচনের ফল কোন দিক থেকে বাঁকানো হয়েছে কি না। বাস্তবতা উদঘাটনের সময় এসেছে।”

27 Oct 2025 | Pic: Collected
এই দাবিগুলো যদিও এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি—কোনো নির্ভুল প্রমাণ-উৎস ধরা পড়েনি—তবুও ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই Department of Justice-কে নির্দেশ দিয়েছেন তদন্ত চালাতে।
বাইডেন প্রশাসন যদিও এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে এবং বলেছে, তারা বৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং ট্রাম্পের অভিযোগ “ভিতিহীন”। এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যেকোনো ধরণের কারচুপি বা নির্বাচনী জালিয়াতি থাকলে ইতিমধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া রয়েছে, তবে রাজনীতিকভাবে এমন অভিযোগ ছড়ানো দেশের জন্য ক্ষতিকর।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের অভিযোগ শুধুই ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক মনোবল ও জনগণের বিশ্বাসকে প্রভাবিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভোটের স্বচ্ছতা ও ফলাফল গ্রহণযোগ্যতা সবচেয়ে বড় অভিমুখ — সেই ক্ষেত্রে এমন প্রশ্ন ওঠা ইতিমধ্যেই পার্থিব প্রভাব ফেলতে পারে।
ট্রাম্পের এই দাবি মিডিয়াতে ও সোশ্যাল মিডিয়াতে দ্রুত বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তীব্র হয়েছে। পরবর্তী সময়ে দেখা যাবে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী কমিশন, বিচার বিভাগ ও স্বাধীন অনুসন্ধান সংস্থাগুলো এই প্রসঙ্গ নিয়ে কি ধরণের পদক্ষেপ নেয়।



