নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডামস সম্প্রতি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আসন্ন জোহ্রান মামদানির শপথ অনুষ্ঠানে, যা গত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক উত্তেজনায় এক নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। অ্যাডামসের পক্ষ থেকে এই আহ্বান একটি স্পষ্ট সংকেত — যেসব সময় শহরে ইহুদি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কের দিকনির্দেশনা নিয়েই বিতর্ক রয়েছে।

18 Nov 2025 | Pic: Collected
অ্যাডামস এই আমন্ত্রণকে “নিউ ইয়র্কের ও ইসরায়েলের মধ্যে অটুট বন্ধুত্ব এবং সমর্থনের প্রতীক” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর বক্তব্যে ছিল একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা: “এই সফর আমরা পাঠাবো largest Jewish community এর প্রতি আমাদের দৃঢ় সমর্থন হিসেবে।”
এদিকে, মেয়র-নির্বাচিত জোহ্রান মামদানি এই আমন্ত্রণকে “ভিন্ন প্রতিক্রিয়া” দিয়ে প্রত্যুত্তর দিয়েছেন। তিনি নেতানিয়াহু সম্পর্কে পুরনো ও উচ্চাভিলাষী মন্তব্য করেছেন — “যুদ্ধাপরাধী” হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, গাজায় নেতানিয়াহুর নীতি গণহত্যার সঙ্গে তুলনায় আসতে পারে। মামদানির মতে, যদি নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে আসে, তাহলে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) গ্রেপ্তারি পরোয়ার্না মেনে “আইনি উপায়ে” তাকে আটক করার নির্দেশ দেবেন এনওয়াইজিপিডিকে।
এছাড়া মামদানি ইতিমধ্যেই দৃঢ়ভাবে বলেছে যে তিনি ICC-র গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রতি “শ্রদ্ধাশীল” হবেন এবং সিটি হিসেবে আইনি বাধ্যবাধকতা পালন করবেন। তাঁর এই বক্তব্য শহরের মধ্যে মানুষের মধ্যে বিশ্লেষণ ও উদ্বেগ উভয়ই তৈরি করছে, কারণ আইসিসির আদেশ বাস্তবায়ন করতে ফেডারেল দিক ও স্থানীয় আইনগত জটিলতা রয়েছে।
মামদানির কঠোর প্রতিশ্রুতি ও অ্যাডামসের আমন্ত্রণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিউ ইয়র্ক সিটির নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা হতে পারে, যেখানে আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায্যতা এবং সম্প্রদায়গত সম্বন্ধ নতুনভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি, এই বিতর্কটি ইহুদি সম্প্রদায়, মুসলিম বোধ ও রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে গঠনমূলক সংঘাতের প্রতিফলন।
সার্বিকভাবে, অ্যাডামস এবং মামদানি উভয়ের মধ্যকার এই টক্কর কেবল তাদের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতিচ্ছবি নয়; এটি একটি গ্লোবাল কনটেক্সটে ন্যায্যতা, আইন এবং সম্প্রদায়িক অংশীদারিত্ব নিয়ে চলছে নতুন ব্যপক বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।




