যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর একটি নির্বাহী আদেশে H-1B ভিসার জন্য বার্ষিক ১,০০,০০০ ডলার ফি আরোপ করেছেন। এই আদেশ কার্যকর হবে ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে। ফলে, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যামাজন, জেপি মরগ্যান চেজসহ অন্যান্য প্রযুক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তারা যেন দেশ ছাড়েন না; এবং যারা বিদেশে রয়েছেন, তারা যেন ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন।
.jpg)
20 September 2025 | Pic: Collected
মাইক্রোসফট তাদের H-1B ও H-4 ভিসাধারী কর্মীদের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইলে জানিয়েছে যে, ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসা অত্যন্ত জরুরি। ইমেইলে বলা হয়েছে, “যদি আপনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন, তাহলে দেশ ছাড়বেন না; এবং যদি বিদেশে অবস্থান করেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসুন”। কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে আসতে পারবেন না, তারা পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এছাড়া, যারা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদেরকে দেশ ছাড়তে নিষেধ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে, যাতে কর্মীরা নতুন ভিসা ফি আরোপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেন।
মেটা (পূর্বে ফেসবুক) তাদের H-1B ও H-4 ভিসাধারী কর্মীদের জন্য একই ধরনের নির্দেশনা জারি করেছে। কোম্পানিটি তাদের কর্মীদের জানিয়েছে, যারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তারা যেন দেশ ছাড়েন না; এবং যারা বিদেশে রয়েছেন, তারা যেন ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন। এছাড়া, মেটা তাদের কর্মীদেরকে ২১ সেপ্টেম্বরের পর আন্তর্জাতিক ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলেছে। এই পদক্ষেপটি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে, যাতে কর্মীরা নতুন ভিসা ফি আরোপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেন।
অ্যামাজন এবং জেপি মরগ্যান চেজও তাদের H-1B ও H-4 ভিসাধারী কর্মীদের জন্য একই ধরনের নির্দেশনা জারি করেছে। কোম্পানিগুলো তাদের কর্মীদের জানিয়েছে, যারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তারা যেন দেশ ছাড়েন না; এবং যারা বিদেশে রয়েছেন, তারা যেন ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন। এছাড়া, কর্মীদেরকে ২১ সেপ্টেম্বরের পর আন্তর্জাতিক ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে, যাতে কর্মীরা নতুন ভিসা ফি আরোপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও আর্থিক খাতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে কর্মরত হাজার হাজার বিদেশি কর্মী এই আদেশের ফলে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। বিশেষ করে, ভারতীয় কর্মীরা এই আদেশের ফলে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন, কারণ তারা H-1B ভিসার প্রধান গ্রহীতারা।
এই আদেশের ফলে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের কর্মীদেরকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে বলছে, যাতে তারা নতুন ভিসা ফি আরোপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেন। এছাড়া, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে আসতে পারবেন না, তারা পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যামাজন ও জেপি মরগ্যান চেজসহ অন্যান্য প্রযুক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই নতুন ভিসা নীতির প্রভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। কোম্পানিগুলো তাদের কর্মীদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, যেমন:
- কর্মীদের জন্য দ্রুত ভ্রমণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
- কর্মীদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা।
- কর্মীদেরকে নতুন ভিসা ফি আরোপের পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করা।
এই পদক্ষেপগুলো কর্মীদেরকে নতুন ভিসা নীতির প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে এবং কোম্পানিগুলোর জন্য কর্মী সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন H-1B ভিসা নীতি প্রযুক্তি ও আর্থিক খাতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যামাজন ও জেপি মরগ্যান চেজসহ অন্যান্য কোম্পানিগুলো তাদের কর্মীদেরকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে বলছে, যাতে তারা নতুন ভিসা ফি আরোপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেন। এই পদক্ষেপগুলো কর্মীদেরকে নতুন ভিসা নীতির প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে এবং কোম্পানিগুলোর জন্য কর্মী সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।




