যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় রক্ষণশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডের পর, সামাজিক মাধ্যমে হত্যার প্রশংসা বা সমর্থন জানানো বিদেশিদের জন্য ভিসা বাতিলের হুমকি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বক্তৃতা দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন কার্ক। তার হত্যাকাণ্ডের পর, কিছু বিদেশি নাগরিক সামাজিক মাধ্যমে হত্যার প্রশংসা বা সমর্থন জানিয়েছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

13 September 2025 | Pic: Collected
স্টেট ডিপার্টমেন্টের হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি সেক্রেটারি ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ এক্সে (পূর্বে টুইটার) এক পোস্টে বলেন, “একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের আলোকে, আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে সহিংসতা ও ঘৃণা ছড়ানোকে প্রশংসা করা বা প্রশ্রয় দেওয়াকে ঘৃণিত কাজ। এমন ব্যবহারকারীদের অ্যামেরিকা স্বাগত জানাবে না।” তিনি আরও বলেন, “সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ এ ঘটনার প্রশংসা করেছে বা যা বিব্রতকর। এ বিষয়ে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
ফ্লোরিডা কেবিনেটের প্রতিক্রিয়া
ফ্লোরিডা রাজ্যের তিনজন কেবিনেট সদস্য, অর্থমন্ত্রী ব্লেইস ইনগোগলিয়া, অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমেইয়ার, এবং রাজ্য সিনেটর জেসন পিজ্জো, কার্কের হত্যার প্রশংসা বা সমর্থন জানানো বিদেশিদের ভিসা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলেন, “যারা একজন স্বাধীন মত প্রকাশকারী ব্যক্তির হত্যাকে সমর্থন করবে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়।”
সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া
কার্কের হত্যাকাণ্ডের পর, সামাজিক মাধ্যমে কিছু ব্যবহারকারী হত্যার প্রশংসা বা সমর্থন জানিয়েছেন, যা ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। এমন কিছু পোস্টের স্ক্রিনশট অনলাইনে শেয়ার করা হয়েছে, যা বিদেশিদের ভিসা বাতিলের হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডের পর, সামাজিক মাধ্যমে হত্যার প্রশংসা বা সমর্থন জানানো বিদেশিদের জন্য ভিসা বাতিলের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক মহলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি ও সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।



