ওয়াশিংটন ডিসিতে ১৩ অক্টোবর, সকাল ৯টা-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল ও ইউএস চেম্বার অফ কমার্স-এর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, অর্থ সচিব, ইআরডি সচিব ও অন্যান্য প্রতিনিধিরা ছিলেন।

17 Oct 2025 | Pic: Collected
বৈঠকে তারা বলেছিলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছিল। কিন্তু মাত্র এক বছরের মধ্যে বহু অগ্রগতি হয়েছে। রিজার্ভ অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ভালো হয়েছে, বন্দর-ব্যবস্থাপনায় উন্নতি হয়েছে, আর্থিক ও ব্যাংক খাতে সংস্কার চলছে, এবং রেভিনিউ খাতেও কাজ হচ্ছে। তারা জানান, বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর দিকেও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ডলারের অভাব নেই, ব্যবসায়ীদের বকেয়া সময়মতো পরিশোধ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের জন্য একটি ভালো এবং স্থিতিশীল পরিবেশ রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগের সময়গুলোর তুলনায় বেশি উৎসাহী। সরকার নিশ্চিত করেছে যে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ এবং ঝামেলা কম হবে।
বৈঠকে এই বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে:
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ
- বাংলাদেশের আর্থিক ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় যে সংস্কার হচ্ছে তা আরো গতি দেওয়ার পরিকল্পনা
- ব্যবসায়ীদের পাওনা সময়মতো পরিশোধ ও ডলারের সরবরাহ সুনিশ্চিত করা
- বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আইন-নীতি ও নিয়মাবলী আরও সুবিধাজনক করা
উপসংহারে, এই বৈঠক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।




