
15 Nov 2025 | Pic: Collected
লুইজিয়ানার ** বাওয়ার্ক পুলিশ স্টেশনে (Berwick Police Department Jail)** এক বন্দি, সেসিল মাইকেল স্ট্র্যাটন (৪৬ বছর), বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত প্রায় ১০:১২ টার দিকে নিরাপত্তা প্রক্রিয়া (লকডাউন) চলাকালে এক পুলিশ অফিসারের মুখে একটি রাসায়নিক পদার্থ ছুড়ে পালিয়ে যায়, পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
পুলিশ বলেছে, স্ট্র্যাটন ও একজন আরেক বন্দি নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময়ে পালানোর সুযোগ পায়; তবে দ্বিতীয় বন্দি কিছুক্ষণ পরই ধরে ফেলা হয়।
স্ট্র্যাটনের বিরুদ্ধে পূর্বেও দাঙ্গাপূর্ণ আচরণ এবং পুরাতন কারাগার পালানোর ইতিহাস রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পুলিশ বলেছে, “তার মধ্যে সহিংস প্রবণতা রয়েছে এবং তিনি পূর্বেও এক উত্তর লুইজিয়ানার কারাগার থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছেন।”
পুলিশ বর্তমানে একাধিক সংস্থার সঙ্গে মিলে একজন বৃহৎ মানবন্ধনের অভিযান চালাচ্ছে।তারা জনসাধারণকে সতর্ক করেছে এবং কাউকে যদি স্ট্র্যাটনকে দেখে, তাহলে কাউকে তার সঙ্গে মিশতে না বলেছে: 985-384-7710 নম্বরে Berwick পুলিশ বিভাগে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের মতে, স্ট্র্যাটনের এই কৌশল (রাসায়নিক আক্রমণ) তাঁর পালাবার পরিকল্পনায় একটি চালাক ধাপ ছিল। পুলিশি বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি শুধু এক সাধারণ পালানো নয়, বরং পরিকল্পিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ।
অন্যদিকে, আইনপ্রণয়ন বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন যে কিভাবে এমন রাসায়নিক পদার্থ কারাগারের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় সহজেই পাওয়া গিয়েছিল এবং গুদামজাত করা হয়েছিল — নিরাপত্তা ব্যবস্থার নজরদারি এবং স্পর্শকাতর পদার্থ পরিচালনায় বড় ত্রুটি রয়েছে কি না, সেটি এখন আলোচনায় এসেছে।
এই ঘটনা সার্বিকভাবে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার দায়-দায়িত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করেছে: বন্দি নিরাপত্তা, বন্দির পরিচর্যা, কারাগারের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া, এবং কর্মীর নিরাপত্তা — সব দৃষ্টিকোণ থেকেই এটি একটি গুরুতর বিস্ফোরক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।




