যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ICE (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) সম্প্রতি এক তরুণী অভিবাসীকে ফেরত পাঠানোর সময় তার হাতে ও পায়ে শিকল ও শরীরচেন পরিয়ে নেয় — এই ঘটনা সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়েছে, এবং বিষয়টি দ্রুত ভয়, সমালোচনা ও আইনগত বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের মধ্য থেকে ICE-এর কঠোর অভিবাসন-নীতি ও ফেরত পাঠানোর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এমন ঘটনা নতুন নয়; মৃতদেহ, আটক, শিকল-চেনসহ deportation-এর খবর পেছনের কয়েক মাসে বারবার এসেছে।

2 Dec 2025 | Pic: Collected
যেমন একটি ২০২৫ সালের ঘটনা — যেখানে কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত পার হওয়ার সময় এক নারীকে ICE গ্রেফতার করে শিকল ও চেন পরে আটক করে, পরে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। সেই নারী নিজের অভিজ্ঞতা বলেছিলেন, “আমি এমন নিষ্ঠুর কিছু দেখিনি”
আইনগত ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন — অভিবাসীকে এমনভাবে চেনাতে করা, বিশেষ করে যদি সে দোষী সাব্যস্ত না, শুধুই অবৈধ অভিবাসীর অভিযোগে হয় — সেটা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব আইন অনুযায়ী গুরুতর প্রশ্নের বিষয়।
তবে ICE এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করে, তাদের পুলিশি প্রক্রিয়া ও ফেরত প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী হচ্ছে। তারা বলে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি কার্যকর করার জন্য হাতকড়া ও চেন পরানো জরুরি, যাতে পালানো, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আইনগত ব্যবচ্ছেদ (law-evasion) রোধ করা যায়।
অনেকে বলছেন — এমন আচরণ অভিবাসীদের প্রতি অপমান, হয়রানি, আত্মমর্যাদাহানি এবং মানবলঙ্ঘন; বিশেষ করে নারী ও শরণার্থীদের ক্ষেত্রে। অনেক সময় তরুণী, মা-বাবা-শিশু — যারা হয়তো কোনো অপরাধ করেও নাই — তারা হয়রানার শিকার হচ্ছেন।
এই ঘটনা শুধু এক ব্যক্তির নয় — এটি দেখাচ্ছে, কেমনভাবে অভিবাসন-নীতির নামে আইন প্রয়োগ প্রক্রিয়া মানবিকতার সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যখন গ্লোবাল রাজনৈতিক চাপ, অভিবাসন-নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা দাবি — সব মিলিয়ে অনেক দেশ, সংস্থা, পরিবার ও মানুষ এতে যুক্ত।
পরবর্তীতে, যখন ICE, সংশ্লিষ্ট আদালত এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো জড়াবে; হয়তো শেকল-চেন, বন্দিত্ব, সদিচ্ছা-বিভ্রান্তি — এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চ্যালেঞ্জ আসবে। সঙ্গে, সামাজিক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও — এমনভাবে কেউ আটক বা ফেরত পাঠানো যায় কি না — সেটা নিয়ে স্পষ্ট ও ন্যায্য নীতি তৈরি করতে হবে।
এই ঘটনার পর, অভিবাসী সম্প্রদায়, আইনজীবী, অধিকার গোষ্ঠী এবং সাধারণ মানুষ — সবাই এক হওয়া প্রয়োজন, যাতে ফেরত প্রক্রিয়া থাকে স্বচ্ছ, মানবিক ও আইনগত।




