বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৭ মে পর্যন্ত প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ২৫.২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ২৪.৭৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

Source: Jugantor | 12 May 2025 | Pic: Collected
মার্চ ২০২৫-এ প্রবাসী আয় পৌঁছায় ৩.২৯ বিলিয়ন ডলারে, যা এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এপ্রিল মাসেও এসেছে ২.৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সৌদি আরব থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ৪৯১.৪২ মিলিয়ন ডলার। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (৩৭২.১৭ মিলিয়ন ডলার), যুক্তরাষ্ট্র (৩৩০.৭ মিলিয়ন ডলার), যুক্তরাজ্য (২৯৪.১ মিলিয়ন ডলার), মালয়েশিয়া (২১০.৯ মিলিয়ন ডলার), কুয়েত (১৬২.৭৩ মিলিয়ন ডলার), ইতালি (১৫০.৫৯ মিলিয়ন ডলার), ওমান (১৪৮.৩৪ মিলিয়ন ডলার), সিঙ্গাপুর (১১৮.৫৮ মিলিয়ন ডলার) এবং কাতার (১০৪.২৫ মিলিয়ন ডলার)।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হুন্ডি কমে যাওয়া, ব্যাংকে ডলারের ভালো দাম এবং সরকারের প্রণোদনা প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করেছে। এছাড়া, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা চালু করেছে, যা রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়াতে সহায়ক হবে। এছাড়া, রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।
প্রবাসীদের এই অবদান দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। তাদের সম্মান জানাতে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত রাখতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।




