
13 Nov 2025 | Pic: Collected
লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ড. অলি আহমদ এইচএ (রিটায়ার্ড) এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জড়িত ছিলেন। তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তথ্যের ভিত্তিতে দাবি করেন, “১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে চৌকসভাবে পরিকল্পিত সেই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত এক ষড়যন্ত্রের ফল” এবং সেই পরিকল্পনায় এরশাদের নেতৃত্ব ছিল।
কর্নেল অলি বলেন, “হাসিনা সেই ঘটনায় নিঃশর্তভাবে যুক্ত ছিলেন; দেশজুড়ে ভারতীয় সরকার‑গঠনের আগ্রহ ছিল এবং সেই উদ্দেশ্য সফল করতে জিয়াকে দমন করা হয়।” তিনি আরও যুক্ত করেন, হত্যার ঠিক আগের সময়ে এরশাদ চট্টগ্রাম সফর করেছিলেন, এবং এরপর বাসা বদল, নিরাপত্তা বদল ও সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বদল এমন সব ঘটনা ঘটেছে যা ষড়যন্ত্রের চিত্র তুলে ধরে। এখানে অব্যাহত রয়েছে যে যাতে সত্য উদঘাটিত না হয়।
কর্নেল অলি জানান, তারা সৈনিকদের গুলি করে হত্যা করা হয় যাতে মূল ষড়যন্ত্রকারীর নাম প্রকাশ না পায়, এবং সেই সময়ে সেনা‑নৈতিক রদবদল এক পরিকল্পিত অঙ্গ ছিল। যদিও এই দাবিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিবেচনা করেছেন একটি নতুন প্রচারণার অংশ হিসেবে, এবং সংশ্লিষ্ট দল ও ব্যক্তি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। ফলে, এই অভিযোগগুলো নতুন করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও বিচার প্রক্রিয়ার আলোচ্যসূচিতে উঠে এসেছে।




