করপোরেট ও ক্রীড়া প্রশাসনের পরিচিত মুখ রুবাবা দৌলাকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) উপপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি), যা ছিল বোর্ডের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সম্পূর্ণ ডেস্ক ভরার অংশ হিসেবে। তিনি বোর্ড‑নির্বাচনের পর এনএসসি‑র দুই মনোনীত পরিচালক হওয়ার এক ক্ষেত্রে দ্বিতীয় নারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন; প্রথম নারী পরিচালক ছিলেন মনোয়ারা আনিস মিনু, যিনি ২০০৭ সালে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
5 Nov 2025 | Pic: Collected
দৌলা বর্তমানে কর্পোরেট সেক্টরে উল্লেখযোগ্য পদে রয়েছেন — তিনি বর্তমান সময় দেশের, নেপাল ও ভুটানের জন্য Oracle কোম্পানির কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর। তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ক্রিকেট প্রশাসনের ক্ষেত্রেও আছে — তিনি ২০০৯‑২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন‑এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন, এছাড়া স্পেশাল অলিম্পিক্স বাংলাদেশ‑এর বোর্ড সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগের কর্মজীবনে গ্রামীণফোন ও এয়ারটেলের মতো কোম্পানিতে তিনি প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও মার্কেটিং কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন, যখন গ্রামীণফোন ২০০৩‑২০১১ সময়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান স্পনসর ছিল।
এই নিয়োগে বিসিবিতে মহিলা প্রতিনিধিত্ব বাড়ার দৃষ্টিকোণ থেকে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে এবং এটি জাতীয় ক্রীড়ার প্রশাসনিক চিত্রে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে; অনুমোদিত একটি বৈঠকে রুবাবা দৌলা প্রথমবার পরিচালক হিসেবে অংশ নেন। এই পদায়ন প্রক্রিয়ায় উঠে আসে যে, পূর্বে মনোনীত পরিচালক ইসহাক আহসান অ্যাসোসিয়েশনের রাজনৈতিক সংযোগ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ‑বাংলার কারণ নিয়ে বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করেন, এরপর রুবাবা দৌলা মনোনীত হন।
তার প্রতি নতুন দায়িত্বে শুভকামনা জানিয়ে বিসিবি ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন‑ যে, তিনি ক্রিকেট‑উন্নয়ন থেকে মহিলা ক্রিকেট সম্প্রসারণ এবং খেলোয়াড় কল্যাণের দিকে বেশি মনোযোগ দেবেন। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তার কর্পোরেট দক্ষতা ও ক্রীড়া প্রশাসকের অভিজ্ঞতা মিলিয়ে বোর্ডে নতুন মানসিকতা আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই নিয়োগ‑সংবাদ দেশের ক্রীড়া বিশ্বে‑ বিশেষ করে মহিলা‑প্রতিনিধিত্ব ও প্রশাসনিক গঠন‑সংঘর্ষের প্রসঙ্গে‑ ইতিবাচক আলোচনার সূত্রপাত করেছে। সময় এখন দেখাবে, রুবাবা দৌলা‑র নেতৃত্ব কোনো নতুন গতি এনে দিতে পারে বলেই প্রত্যাশা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।



