চলতি বছর রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পুনরায় মনোযোগ এসেছে, এবং আগামী চার মাসে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে এস উদ্দেশ্য সাপেক্ষে—অর্থায়ন বাড়ানো, উদ্বাস্তুদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এবং পরিস্থিতির সমাধানে সহযোগিতা মজবুত করা। প্রথম সম্মেলন হবে ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে, শিরোনাম “Stakeholder Dialogue: Messages for High-Level Discussions on the Rohingya Situation,” যেখানে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরার পাশাপাশি উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার জন্য বার্তা প্রেরণ করা হবে ।

16 August 2025 | Pic: Collected
দ্বিতীয়ত, ৩০ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে United Nations-এর অধীনে High-Level Conference on the Situation of Rohingya Muslims and Other Minorities in Myanmar, যা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষীত ও সমন্বয়মূলক সম্মেলন; এর প্রস্তাবনা বাংলাদেশের চিফ অ্যাডভাইজার অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস ২০২৪ সালের UNGA তে উপস্থাপন করেছিলেন এবং ১০৬টি দেশ এ সমর্থন দিয়েছেন।
এই সম্মেলনের লক্ষ্য থাকবে একটি সময়সীমা নির্ধারণসহ বাস্তবসম্মত সমাধান—বিশেষ করে সম্মানজনকভাবে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন—তারই মাধ্যমে রাজনৈতিক ও মানবিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা । তৃতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ৬ ডিসেম্বর দোহা, কাতারে, যেখানে আন্তর্জাতিক ও আর্থিক সম্প্রদায়কে একত্রিত করে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন ও জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর অর্থায়ন ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে ।
এর সঙ্গে সংযুক্ত একটি খানিকটা আর্থিক ও কৌশলগত বিবেচনায়, বাংলাদেশের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান এ প্রচেষ্টাগুলোকে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। এই তিন সম্মেলন একসঙ্গে একটি সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সূচনা করবে, যা রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীতিগত ও বাস্তবগত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবে।



