
16 Oct 2025 | Pic: Collected
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এখন থেকেই প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনে দলটির প্রার্থী তালিকা নির্ধারণে গরম হয়েছে প্রচুর চাপ ও আকাঙ্ক্ষা। যুগান্তর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এই বিভাগে কমপক্ষে ৮০ জন নেতা মনোনয়নের দাবিদার হিসেবে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন, যার ফলে “প্রার্থী জট” তৈরি হয়েছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ দেখা দিয়েছে। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে—শনিবার (তারিখ নির্ধারিত হবে) সিলেট বিভাগের সব মনোনয়নপ্রত্যাশীকে নিয়ে বৈঠকে বসবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই বৈঠকে জেলার প্রতিটি আসন থেকে প্রার্থীদের সাংগঠনিক অবস্থা, জনসম্পৃক্ততা, মাঠপর্যায়ের শক্তি ইত্যাদি বিচার-বিশ্লেষণ করা হবে।
দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি আসনে কেবল একজন প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে। দল অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও বিভাজন এড়াতে ব্যাপক সতর্কতা অবলম্বন করছে। বিশেষ করে বিদ্রোহী প্রার্থিতা ঠেকাতে দল ঘনিষ্ঠ নজর দিচ্ছে বলে সূত্র জানা গেছে।
প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল তথ্যভিত্তিক যাচাইকরণকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অতীত কার্যক্রম, ভোটার সংযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপস্থিতি, সংগঠনভিত্তিক কার্যকলাপ — এসব বিষয় বিশ্লেষণের মাধ্যেমে প্রার্থী তালিকা শুদ্ধ করতে চায় বিএনপি।
বিভাগীয় দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের মাঝে। মির্জা ফখরুল সিলেট ও খুলনা বিভাগ দেখাশোনা করবেন। এছাড়া তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভাগগুলোর অগ্রগতি নজর রাখছেন।
সিলেটে প্রার্থী ঘোষণার প্রক্রিয়া শুধু রাজনৈতিক কারণে নয়, জায়গাজমি ও সামাজিক ও জাতিগোষ্ঠী সমন্বয়ের দিক থেকেও জটিলতা বেশি। এই গনমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি ও এলাকায় জনপ্রিয়তা মাপার দিকেই মনোনয়ন দেবো হবে।
শুধু সিলেট নয়, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারেও প্রার্থীর তালিকা নিয়ে উন্মাদনা দেখা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচন বিএনপির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে — কিভাবে দলীয় ঐক্য বজায় রেখে শক্তিশালীভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং প্রার্থী নির্বাচনই হবে দলে স্বচ্ছতা ও পরিবর্তনের প্রতিক।




