বুধবার (২৩ নভেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যায়, হৃদরোগ ও ফুসফুসের জটিলতা অনুভব করায় ছায়া বাড়ে Evercare Hospital –তে। তারপরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
২৪ নভেম্বর, তার দেহে হৃদয় ও ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে; দেখা যায় শ্বাসকষ্ট এবং একাধিক রোগের জটিলতা। মেডিকেল বোর্ডের সদস্য FM সিদ্দিকি জানান, দীর্ঘদিনের শারীরিক সমস্যার পরই এই অবস্থায় পৌঁছেছেন—তার হৃদয়ে রয়েছে পেসমেকার, আগে স্টেন্ট বসানো হয়েছে, এবং মহিলার ফুসফুসের দুর্বলতার সঙ্গে সঙ্গে করোনারি জটিলতা দেখা দিয়েছে।

27 Nov 2025 | Pic: Collected
রোববার রাত থেকে হাসপাতালে ভর্তি হলেও, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে তাঁকে কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (CCU)-তে স্থানান্তর করা হয়। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক AZM জাহিদ হোসেন ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে এখন স্থায়ীভাবে সিসিইউতে চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর বয়স (৭৯ বছর), দীর্ঘ সময়ের হৃদরোগ, কিডনি–লিভার–ডায়াবেটিস–অস্থিব্যথাসহ একাধিক জটিলতা রয়েছে ➝ সব মিলিয়ে নতুন সংক্রমণ তাঁর জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন পুরো মেডিকেল বোর্ড দিন-রাত পর্যবেক্ষণ করছে; প্রয়োজন হলে ইনটেনসিভ কেয়ার দেওয়া হবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে প্রার্থনা-সঙ্কলনের আহ্বান জানানো হয়েছে; দেশের বিভিন্ন জেলা ও রাজধানীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শুরু হয়েছে। বিএনপি–সহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনরা উদ্বেগপ্রকাশ করেছে।
সম্প্রতি, খালেদা জিয়া বিদেশেও (লন্ডন) চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ৮ জানুয়ারি ২০২৫-এ বিশেষ বিমানে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ থেকে লন্ডনের ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল; ১১৭ দিন পর ৬ মে দেশে ফিরে আসেন। তবে তার পর থেকেই একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসার সূত্রপাত হয়েছে।
এবারের হুটকি হাসপাতাল ভর্তি ও সিসিইউতে স্থানান্তর—সব মিলিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার গাম্ভীর্য এবং দীর্ঘমেয়াদী রোগগুলো নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।




