
21 Oct 2025 | Pic: Collected
চলচ্চিত্র জগতে এক সময়ে চিরতারকা হিসেবে আলো ছড়ান সালমান শাহ (আসল নাম: চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (এমন)), তার অকালবয়েসী মৃত্যুর ২৯ বছর পর অবশেষে এই মৃত্যু মামলা হত্যার রূপ নেয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বরে ঢাকার এসকাটন এলাকায় তাঁর বাসায় মৃত্যুর পর থেকে মামলাটি শুরু হয় ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ বা ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে বিবেচনায় থাকলেও আজ আদালতের নির্দেশে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটনের ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক নির্দেশ দিয়েছেন যে র্যামনা থানার অফিসার-ইন-চার্জকে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
মামলায় ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, ‘আজিজ মোহাম্মদ ভাই’, ‘লতিফা হক লুসি’, এবং ‘রিজভি আহমেদ ফারহাদ’ সহ আরও অনেকে। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সালমান শাহর মায়ের হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন তাঁর মাতার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর, র্যামনা থানায়। সালমান শাহর পরিবার দীর্ঘসময় এই মৃত্যুকে রহস্যময় মনে করে এসেছে; তাঁর বুকে ও গলায় রশির দাগ ও শরীরে নীলচে ভাব দেখা গেছে বলে পরিবার দাবী করেছে।
১৯৯৭ সালে ইতিমধ্যে তাঁর পিতা একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছিলেন, কিন্তু তার পর দীর্ঘ সময় মামলা কিছুই হয়নি।এই নতুন মামলা অনেকের কাছে বড় আশা নিয়ে এসেছে; কারণ এ-দিন আদালত বলেছে, পুরনো ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ মামলা বাতিল ও হত্যার মামলা হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থাগুলোকে আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনা শুধুই একটি তারকার মৃত্যু নয়—বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও সামাজিক দৃষ্টিকোণে এটি একটি গভীর অধ্যায় যেখানে তাড়াহুড়া ছাড়া বিচার ও ন্যায়ের আবদার প্রকাশ পাচ্ছে।




