১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার এস্কাটন এলাকায় অপ্রত্যাশিতভাবে প্রয়াত হন বাংলাদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা সালমান শাহ (চৌধুরী মোঃ শাহরিয়ার এমন)। দীর্ঘ ২৯ বছর পর, মামলার বহাল এক রহস্যের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে এই মৃত্যু হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট থানার (রমনা মডেল থানা) কর্মকর্তাদের তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

24 Oct 2025 | Pic: Collected
পুলিশও ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে “গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি” রয়েছে — তারা বলছেন, তদন্ত পর্যায়ে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে যা মামলা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে। মামলায় নাম রয়েছে ১১ জনের, যার মধ্যে রয়েছেন সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক এবং বিভিন্ন চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, একজন আসামী নিজেই আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে তিনি টাকায় হত্যার পরিকল্পনায় অংশ নিয়েছিলেন — তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ উভয়েই এই তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন এবং মামলায় বিরোধ রয়েছে।
পুলিশ সূত্র বলছে, এখন আলামত, সাক্ষী ও ভিডিও ফুটেজ নিয়ে ব্যাপক কাজ চলছে — তারা চাচ্ছেন যেকোনো অবাধ লাইন ছাড়া বিশেষ তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে টাকার পরিকল্পনা ও কার্যকর অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা যাবে। যদিও এখনও কেউ সরকারীভাবে ‘হত্যাকারী’ হিসবে দণ্ডিত হয়নি, তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে আগামী কয়েক মাসে গ্রেফতার বাড়ানো হতে পারে। সংবাদমাধ্যমে একটি পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছি যেখানে নতুন তথ্য ও প্রযুক্তিগত সব প্রমাণ যাচাই করা হয়েছে। শিগগিরই গ্রেপ্তার থাকবে।” বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মামলায় যেটিই হয় না কেন — একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকার মৃত্যুর দীর্ঘ এত বছর পর নতুন রূপ নেওয়া এই মামলা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র-ইনডাস্ট্রি ও ন্যায়বিচার-চেতনায় এক স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।




