এক গবেষণাপত্রে দেখা গেছে, কাঠামোবদ্ধ ব্যায়াম কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ক্যানসার রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৭% কমেছে এবং ক্যানসারের পুনরাবৃত্তি ঝুঁকি ২৮% হ্রাস পেয়েছে । ছয়টি দেশের ৫৫টি ক্যানসার সেন্টারের প্রায় ৯০০ রোগীর ওপর দৈবকৃত নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষায় একই ফল প্রতীয়মান হয়েছে—ব্যায়াম শুধুমাত্র জীবনমান নয়, আয়ু বাড়িয়ে দেয় ।

Source: Online Report | 30 June 2025 | Pic: Collected
নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে, কানাডার কুইন্স ইউনিভার্সিটির অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ ক্রিস্টোফার বুথ বলেন, “এটি হ্যান্ডস-অন হস্তক্ষেপ যা আয়ু বৃদ্ধি করে এবং সেবার মানদণ্ডের অংশ হওয়া উচিত” । উল্লেখযোগ্য যে, গবেষণায় দ্বিতীয় স্তরের কোলন ক্যানসার ও তৃতীয় পর্যায়ের উচ্চ ঝুঁকির রোগীরাও ছিলেন, যাদের সার্জারি ও কেমোথেরাপি হয়েছিল ।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন মতে, এ ধরনের প্রথম নিয়ন্ত্রিত গবেষণা ব্যায়াম ও আয়ু বৃদ্ধির সাফল্য প্রদর্শন করেছে, যা পূর্বে পর্যবেক্ষণভিত্তিক বিশ্লেষণে পাওয়া ইঙ্গিতকে শক্তিশালী করেছে । গবেষকরা যোগ করেছেন, অনিয়মিত ও পরিমিত ব্যায়ামও উপকারে আসতে পারে, তবে কাঠামোবদ্ধ প্রোগ্রামই সবচেয়ে কার্যকর। চিকিৎসা পরামর্শকদের মতে, রূপরেখাভুক্ত ও সুপরিকল্পিত ব্যায়াম ক্যানসার রোগীর প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, মানসিক চাপ কমায় ও চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হ্রাস করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট মাঝারি গতির ব্যায়াম বা ৭৫ মিনিট শক্তিশালী ব্যায়াম করলে উপকার মিলতে পারে, যা এই গবেষণার ফলাফলকে আরও বিস্তৃত পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত করে । এ কারণে অনকলজিস্টদের পরামর্শ, ক্যানসার রোগীরা চিকিৎসার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত ব্যায়াম-এর কর্মসূচিও মেনে চলুন—এটি জীবনযাত্রার মান শুধু উন্নত করবে না, চিকিৎসা ফলাফলকেও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করবে।




