ইরানে ১৩ জুন শুরু হওয়া এবং মঙ্গলবার (২৪ জুন) আনুষ্ঠানিক মেয়াদ শেষে ‘১২ দিনের যুদ্ধের সমাপ্তি’ ঘোষণা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যা দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, “আজ, আমাদের মহান জাতির বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের পর, যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা এবং ইস্রায়েলের প্ররোচনামূলক এই ১২ দিনের অভিযান সমাপ্ত হচ্ছে।”

Source: Jugantor | 25 June 2025 | Pic: Collected
পেজেশকিয়ান আরও জরুরি বার্তা হিসেবে উল্লিখিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রতি তারা সম্মান জানাবে, এবং মুসলিম জাতির ঐক্য ও সংকল্প প্রদর্শনের মাধ্যমে আগ্রাসন প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট করেছেন, “তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি পরিবর্তে কোন না হলেও পূর্ণতা দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।” তিনি বলেন, “আমাদের বিজ্ঞানীরা বিপুল ত্যাগ স্বীকার করেছেন; আমাদের জনগণ এটি ধারণ করেছে, এবং এ প্রযুক্তি থেকে আমরা এক ইঞ্চি সরব না।”
এই ঘোষণা যেন ইরানের জন্য ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ বয়ে এনেছে। রাজধানী তেহরানে ব্যাপক উৎসব, আনন্দ মিছিল ও স্লোগান ছড়িয়ে পড়েছে ।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেন্যামিন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধবিরতি ও নিজেদের সফল কার্যক্রমকে “ঐতিহাসিক বিজয়” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, উল্লেখ করে “আমরা একটি প্রজন্মের লড়াই জয় করেছি, আমাদের রোয়ারে তেহরান কেঁপে উঠেছে”—Reuters-এর ভাষ্য অনুযায়ী ।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতার ভূমিকায় কাজ করেছে; ট্রাম্পের নেতৃত্বে কাতার ও অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যীয় রাষ্ট্রের সহযোগিতা ও শান্তির আহ্বানই বা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রাথমিক আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে ।
তবে যুদ্ধবিরতি একটু নরম হলেও পরিস্থিতি এখনো সঙ্কটাপূর্ণ। উভয় পক্ষের প্রতি আরও কার্যকর কূটনৈতিক সংলাপ এবং আস্থা-ভিত্তিক আলোচনাই ভবিষ্যতে স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ বলেই অনেক বিশ্লেষক মত দিয়েছেন ।




