যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট ১১ জুন জারি করা একটি আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপিতে ন্যাচারালাইজড নাগরিকদের ‘দেন্যাচারালাইজেশন’ বা নাগরিকত্ব রিভোকেশন অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছে । এ সিদ্ধান্তে মূলত যুদ্ধাপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, গুপ্তচরবৃত্তি, মানব পাচার, যৌন বা সহিংস অপরাধ যেমন গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

4 July 2025 | Pic: Collected
অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রেট শুমেটের স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, “সিভিল ডিভিশনকে maximally pursue denaturalization proceedings in all cases permitted by law and supported by the evidence” । এতে ১০টি নির্দিষ্ট দণ্ডনযোগ্য তালিকাও নেওয়া হয়েছে—যেমন যুদ্ধাপরাধ, সন্ত্রাস, গ্যাং কার্যক্রম, জনৈক ছলে জন্মগত তথ্য গোপন করে নাগরিকত্ব নেওয়া, গ্যাং, অর্থ বা পণ্য জালিয়াতি, টেলিহেলথে Medicare/Medicaid ফ্রড ইত্যাদি ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ রয়েছে, যারা ন্যাচারালাইজেশন অ্যাপ্লিকেশনে “ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য” জানিয়ে নাগরিকত্ব নিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ হবে। এছাড়া, “violent crimes,” “gangs,” “sex offenses” এবং “fraud”—এই সুযোগে বিচার না হওয়া অপরাধীদের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের পথ পরিষ্কার করা হচ্ছে ।
আমেরিকার আইন বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে বৃহত্তর ইমিগ্রেশন ঘাঁটনি হিসেবে দেখছেন। স্মারকলিপি যত যত ক্ষেত্র নির্দেশ দিয়েছে, তার মধ্যে কেউ সীমা অতিক্রম করলে “due process” না মেনেও বাতিলের ঝুঁকি থাকবে বলে আশঙ্কা জাহির করেছেন । অধিকন্তু, “good moral character”‑এর সাধারণ মাপকাঠি দিয়ে কোন প্রেক্ষাপটে বিচার হবে, এটি সন্দেহের জায়গা রেখে যাচ্ছে ।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, ব্রিটিশ নাগরিক এলিয়ট ডিউক—যিনি যুদ্ধেChild pornography–র অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০১৩ সালে নাগরিকত্ব পাচ্ছেন, কিন্তু বাদে অপরাধ গোপন করার কারণে ২০২৫ সালে তাকে নাগরিকত্ব থেকে বাতিল করা হয় ।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় ২৫–২৬ মিলিয়ন বিদেশে জন্ম গ্রহণকারী ন্যাচারালাইজড নাগরিক—তাদের মধ্যেও কেউ এ ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারেন। তবে বাস্তবিক ব্যবস্থা নিতে গেলে সরকারি সংস্থার রিসোর্স সীমাবদ্ধ—তাছাড়া বিচার ব্যবস্থা খুব সংবেদনশীল ।




