সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে হাউস ওভারসাইট কমিটির তদন্তে হাজির হলেও কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি তার সাবেক ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড. কেভিন ও’কনর। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর অধিকার প্রয়োগ করে নিজের নীরবতা বজায় রাখেন, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিজের বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তিমূলক কিছু বলতে বাধ্য নন।

10 July 2025 | Pic: Collected
ও’কনরের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কমিটির রিপাবলিকান চেয়ারম্যান জেমস কোমার, যিনি একে ‘একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ’ বলে দাবি করেন। রিপাবলিকানদের অভিযোগ, বাইডেনের বয়স ও মানসিক অবস্থা নিয়ে প্রকৃত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে এবং ও’কনর এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কাজ করেছেন। কোমার বলেন, বাইডেনের দাপ্তরিক কিছু নথিপত্রে স্বাক্ষর ‘অটোপেন’ ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়টি প্রেসিডেন্টের মানসিক অক্ষমতার প্রমাণ হতে পারে।
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট সদস্য জেসমিন ক্রকেট ও’কনরের এই অধিকার ব্যবহারের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, এটি সংবিধানসম্মত এবং কেউ চাইলে তদন্তের সময় নিজেকে রক্ষা করতে পারেন। ওভারসাইট কমিটির শুনানিতে এ ধরনের প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট করে দেয়, প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন কতটা গভীরে গিয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি বাইডেনের কিছু বক্তব্য ও আচরণ তার মানসিক সক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে, যা ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার অবস্থান নিয়ে আরও প্রশ্ন তুলেছে। ড. ও’কনরের নীরবতা সেই সন্দেহকেই আরও জোরালো করেছে বলে দাবি রিপাবলিকানদের। কমিটি আরও তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে এবং বাইডেনের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তলব করার পরিকল্পনা করছে।



