ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে পাঁচ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতিকে — লাইবেরিয়া, সেনেগাল, গিনি-বিসাউ, মাউরিতানিয়া ও গ্যাবনকে আমেরিকা থেকে বিতাড়িত হওয়া তৃতীয় দেশের অভিবাসীদের গ্রহণের জন্য চাপ দিয়েছে . অভিবাসীদের তারা যতক্ষণ পর্যন্ত ইউএসের শরণপ্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত না হয়, তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত থাকবে এবং সাময়িকভাবে তৃতীয় কোনো দেশে আশ্রয় দেওয়া হবে।

11 July 2025 | Pic: Collected
ওই বৈঠকের সময় ট্রাম্প এ আফ্রিকার দেশগুলিকে বাণিজ্যের দিকে ঝুঁকতে আহ্বান জানান এবং মার্কিন নীতি ‘সাহায্য থেকে বাণিজ্যে’ পরিবর্তনের কথাও তুলে ধরেন । যদিও ওই দেশগুলোর সরকার বা হোয়াইট হাউস থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য আসেনি, তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, লাইবেরিয়া মানরোভিয়ায় কিছু অভিবাসী রাখতে প্রস্তুতি নিচ্ছে .
যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতি পরিমাণে অভিবাসী সঙ্কট মোকাবেলায় ট্রাম্প প্রশাসন পশ্চিম আফ্রিকার পাঁচটি রাষ্ট্রকে এক বিপজ্জনক পরিকল্পনায় যুক্ত করছে — তৃতীয় দেশের নাগরিকদের গ্রহণ, প্রক্রিয়ার অবসান না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় রাখা। এই উদ্যোগ জারি করা হলো হোয়াইট হাউসে আনুষ্ঠানিক ভুটান সেশনে, যেখানে ট্রাম্প বাণিজ্যকে নতুন রাজনীতির শাখায় পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
আফ্রিকার নেতাদের এনডিড সহযোগিতা চাওয়ার ছলে আপাতত তারা সিদ্ধান্ত নিতে ভয়জাগানো অবস্থায়, কারণ এখনো কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের ঘোষণা দেয়নি। এ আলোচনার প্রতিবাদ বা সম্মতি নিয়ে যত প্রশ্ন করছে তেমনি ইহা মার্কিন অভিবাসন নীতির নতুন অদ্ভুত অভিমুখই নির্দেশ করছে।




