যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট কেন্টাকির লুইভিল পুলিশের প্রাক্তন কর্মকর্তা ব্রেট হ্যাঙ্কিসন–এর জন্য মাত্র এক দিনের কারাগার এবং তিন বছর পর্যবেক্ষণসাপেক্ষ মুক্তি চেয়ে আবেদন করেছে, যদিও তিনি কৃষ্ণাঙ্গ চিকিৎসক ব্রেয়না টেইলর–এর নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত এবং সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারতেন। ২০২০ সালের মার্চে ব্রেয়নার অ্যাপার্টমেন্টে হানা দেওয়া “নো-নক” অভিযানে হ্যাঙ্কিসন অবাধে ১০টি গুলি ছোড়েন, যদিও কোনো গুলি সরাসরি কাউকে আঘাত করেনি । আদালতে দাখিল করা সেন্টেন্সিং মেমো–তে সিভিল রাইটস বিভাগের উপরবর্তী পর্যায়ের অ্যাটর্নি হারমিত ধিলন বলেন, “তিন বছর পর্যবেক্ষণ উপযুক্ত, কারণ হ্যাঙ্কিসন মৃত্যুর কারণ হননি এবং জননিরাপত্তার জন্য জরুরি কারাগারের প্রয়োজন নেই” ।

18 July 2025 | Pic: Collected
এই প্রস্তাবের ফলে বৃহৎ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে; নাগরিক অধিকার আইনজীবী বেন ক্রাম্প বলেন, “এটি ব্রেয়না টেইলরের জীবনের উপেক্ষা” এবং “সাদা পুলিশকে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার লঙ্ঘন করে দোষ ছাড় পাওয়ার বার্তা প্রেরণ করছে” । লুইভিল মেয়র ক্রেইগ গ্রিনবার্গ বলেন, হ্যাঙ্কিসনের প্রতি গভীর–প্রাণ কারাদণ্ডের দাবি ছিল, যা “গুরুতর অপরাধ” ও “বর্ণ বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই” এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ।
২০০২–২৩ পর্যন্ত ২৮৮ এপিসোড–এ মিউজিক সুপারভাইজার ছিলেন ব্রেয়না, এবং ২০২০–তে তার মৃত্যু–এর পর শুরু হয়েছিল বর্ণবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় আন্দোলন । জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর একই বছরে ব্রেয়না’র মৃত্যু সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশি নির্মমতা ও কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে জাগতিক প্রতিবাদ সৃষ্টি করে ।
ব্রেট হ্যাঙ্কিসনের প্রাথমিক সেনটেন্সিং শুনানি আগামী ২১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে বিচারক ট্রাম্প–নিয়োগ প্রার্থী হয়ে থাকায় তাঁর সিদ্ধান্ত জনগণের নজরে থাকবে । এই পরিস্থিতি ইউএস ডিপার্টমেন্টের প্রশাসন এবং কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার–সংগ্রাম দুইয়ের মিথস্ক্রিয়া নিয়েও বিতর্কের সূত্রপাত করেছে।
বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণ সহ উদ্বেগ:
- ব্রিট হ্যাঙ্কিসন–এর গুলিবর্ষণ–সংশ্লিষ্ট ১০টি গুলির কোনোটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য লক্ষ্য করেনি, কিন্তু অন্ধভাবে গুলি ছোড়ার অভিযোগ–এই দণ্ডিত। <br>
- সিভিল রাইটস বিভাগের হারমিত ধিলন–এর আবেদন হাইলাইট করেছে—তিনি গুলি ছাড়লেও ঝুঁকি তৈরি করেছেন, কিন্তু প্রস্তাবনা অনুসারে অতিরিক্ত কারাগার জরুরি নয়। <br>
- নাগরিক অধিকার কর্মীরা বলছেন—“এভাবে সাজা দিলে কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার লঙ্ঘনের ওপর ফেডারেল দৃষ্টিভঙ্গি দুর্বলুতি পাবে।”




