দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির অবিচ্ছেদ্য পারফরম্যান্সের স্মৃতি—‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’, ‘খোকা ৪২০’ ইত্যাদি সুপারহিট সিনেমা—প্রতি বাংলাপ্রেমীদের মনে আজও স্পন্দন ফেলে। দীর্ঘ বিরতির পর তাদের সর্বশেষ ছবি ‘ধূমকেতু’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৪ আগস্ট, ও তার আগেই দর্শকেরা আগ্রিম টিকিটে হুমড়ি খাচ্ছেন।

11 August 2025 | Pic: Collected
ট্রেলার লঞ্চে দুজনের অভিমান ও মঞ্চে সংগে করায় সেই নাটক সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। কিন্তু সেই উচ্ছ্বাসের মাঝেই কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত টার্গেটেড কটাক্ষ ভেসে আসে—অভিনয়প্রেমী থেকে পারিবারিক জীবন এমনকি দেবের বর্তমান বান্ধবী রুক্মিণী মৈত্র ও শুভশ্রীর স্বামী নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর দিকে। এই ব্যক্তিগত আক্রমণ নিয়ে রোববার দেব একটি পার্টিতে—যেখানে বাংলা বিনোদন জগতের উজ্জ্বল তারকারা একত্র হয়েছিল—মুখ খুললেন।
“এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক,” দেব মন্তব্য করেন, “এখন ভালোটাকে কেউ ভালোভাবে দেখতেই চায় না। প্রতিটি লাইন নিয়ে কাটাছেঁড়া করা হয়। তবে রুক্মিণী ও রাজ সবাই ভালোভাবে সামাল দিচ্ছে।” দেব স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা পারফর্ম করেছি দর্শকের জন্য, একটি ‘ওয়ার্ল্ড’ তৈরি করেছি—নস্টালজিয়া ফিরে আসুক এই আশায়। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ সত্যিই খারাপ লাগে।” তিনি আরও বলেন, “শুভশ্রীকে শ্রদ্ধা করি, চাই ও ভালো থাকুক। সিনেমা বা প্রোমোশন দিয়ে তা বদলায় না।” দেব যেভাবে বলেন, পরিবারই তাঁর সবচেয়ে বড় সাপোর্ট, আর এই পরিস্থিতিতে রাজ ও রুক্মিণীর সাহচর্য আর প্রেরণািই তাঁকে এগিয়ে রাখছে।
তিনি স্বীকার করেন, সোশ্যাল মিডিয়া ট্রল থেকে বেশি কিছু আশা করা যায় না—“নেগেটিভ মন্তব্য যতাল ফলোয়ার বাড়াবে, কিন্তু লাভ কী?” তবে তিনি তাতেও ইতিবাচকতা দেখেন—“কম শেয়ার, কম লাইক হলেও সুখ আছে কারণ আমি কোনো নোংরামি করিনি।” শেষ দিকে দেব বলেন, “যে দর্শকরা আমাকে আপন করেছেন তাদের জন্য চেষ্টা করেছি সন্তোষজনক কিছু। যদি অপমান হয়ে থাকে, প্রিয়া, রাজ, রুক্মিণী—আপনাদের কাছে দুঃখিত।” এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, অভিনেতা হিসেবে তাঁর প্রথম চাহিদা—পারিবারিক সম্মান ও দৃষ্টিকোণ—যেটার মাধ্যমে যেন গান্ধী যুগলের সাথে নির্মিত বন্ধন অটুট থাকে।




